অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

সাক্ষাৎকারঃ বঙ্গবন্ধুর দেয়া ৭ মার্চের ভাষণের চেয়ে শক্তিশালী কোন দলিল আর হতে পারে না- রাষ্ট্রদূত সহিদুল ইসলাম


১৯৭১ সালের ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ। (ছবি- ইউএনবি)
১৯৭১ সালের ৭ মার্চে দেয়া বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারী হেরিটেজ বা বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি, ভাষণটির তাৎপর্য এবং ৭ই মার্চ উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাসের নেয়া কর্মসূচীসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভয়েস অফ আমেরিকার সাথে সম্প্রতি কথা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম সহিদুল ইসলাম। ভয়েস অফ আমেরিকার পক্ষে সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন শতরূপা বড়ুয়া।
ভয়েস অফ আমেরিকাঃ ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে দেয়া বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারী হেরিটেজ বা বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।এই স্বীকৃতি পাওয়ার প্রেক্ষাপট, পেছনের গল্পটা আমাদের পাঠকদের জন্য বলুন।

রাষ্ট্রদূত এম সহিদুল ইসলামঃ মজার ব্যাপার হলো প্যারিস মিশনের এই উদ্যোগের শুরুটা হয়েছে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে, কোনো মন্ত্রণালয় বা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে নয়।

আমি ২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছর ফ্রান্সে UNESCOতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। কূটনীতিক হিসেবে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকসহ অন্যান্য দায়িত্বের পাশাপাশি এসময় আমি কালচারাল ডিপ্লোম্যাসির উপর বেশ গুরুত্ব দেওয়া শুরু করি। কারণ, আমার মনে হয়েছিল যে UNESCO-কে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তুলে ধরার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রিণালয় যেমন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় (বাংলা একাডেমি, শিল্পকলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর, প্রত্নতাত্বিক ডিপার্টমেন্ট), বাংলাদেশ ন্যাশনাল কমিশন ফর ইউনেস্কো, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে পার্টনারশিপের মাধ্যমে প্যারিসের বাংলাদেশ দূতাবাস বেশ কিছু উদ্যোগে শরিক হয়। আমাদের সব উদ্যোগ যে সফল হয়েছে তা বলা যাবে না, তবে জামদানি শাড়ি, মঙ্গল শোভাযাত্রা, এবং শীতল পাটি-কে বিশ্বের কালচারাল হেরিটেজের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রচেষ্টা সফল হয়।
রাষ্ট্রদূত এম সহিদুল ইসলাম
রাষ্ট্রদূত এম সহিদুল ইসলাম
১৯৯২ সাল থেকে ইউনেস্কো “মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার” কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশ্ব মানবতার বিভিন্ন তাৎপর্যপূর্ণ দালিলিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ করতে শুরু করে। আমি বাংলাদেশ মিশন, প্যারিস-এর রাষ্ট্রদূত এবং ইউনেস্কোর স্থায়ী প্রতিনিধি থাকাকালীন ২০১৬ সালের শুরুতে এই রেজিস্টারে বাংলাদেশের প্রামাণ্য ঐতিহ্য অন্তর্ভুক্তির বিভিন্ন প্রক্রিয়াগত দিক সম্পর্কে তথ্য অনুসন্ধান করার ব্যবস্থা করি। জানা গেলো, ইতিহাসের দিক পরিবর্তন করে দেবার মতো যে কোন দলিল এখানে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। তখন আমার মনে হলো বঙ্গবন্ধুর দেয়া ৭ মার্চের ভাষণের চেয়ে শক্তিশালী কোন দলিল আর হতে পারে না। এই একটি ভাষণই বাঙালী জাতির ভবিষ্যত বদলে দিয়েছিলো। ভাষণের প্রথমদিকে ইতিহাস, মাঝের দিকে অত্যাচার ও অন্যায়ের কথা এবং হুশিয়ারির সাথে সাথে আলোচনার আহ্বান আর শেষের দিকে জনগণের প্রতি মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভিক দিক-নির্দেশনা। বাঙালি সেদিন এই ভাষণকে কেন্দ্র করে মুক্তি না আসা পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাবার ধনুভঙ্গ পণ করেছিলো। রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত জানতে চেয়ে আমি তাৎক্ষনিকভাবে মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ মহোদয়কে অবহিত করি এবং তিনিও ভাষণটিকে “মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল “ রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্তির তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন।

ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ মিশন, প্যারিস-এ বিষয়ে ইউনেস্কোর প্রদত্ত নীতিমালা অনুযায়ী নথি প্রস্তুতির কার্যক্রম শুরু করে। প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত জটিল এবং কষ্টসাধ্য ছিলো। ইতিপূর্বে বাংলাদেশ ন্যাশনাল কমিশন ফর ইউনেস্কোর তৎকালীন মহাসচিব ডঃ কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের ট্রাস্ট জনাব মফিদুল হককে মনোনয়ন প্রদান করেছিলেন এবং জনাব মফিদুল হক ৭ই মার্চের ভাষণের উপর একটি নথি প্রস্তুত করে কম্বোডিয়ায় প্রেরণ করেছিলেন। যোগাযোগ করলে পূর্ব প্রস্তুতকৃত ড্রাফটি উনি ইমেইল যোগে প্রেরণ করেন। নথিটি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখা যায় যে নথিটি তৈরি করা হয়েছিলো, তৎকালীন প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য জনাব এম এ খায়ের কর্তৃক ধারনকৃত এবং প্রস্তুতকৃত ৭ ই মার্চের ভাষণের একটি ৪৫ আর পি এম রেকর্ড যা বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে, তার উপর ভিত্তি করে। উক্ত নথির যথার্থতা ও পর্যাপ্ততা যাচাইয়ের লক্ষ্যে ডিএফপি এর মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলি খানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তার দেয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে জনাব মফিদুল হকের প্রাথমিক নথিকে পরিবর্ধন করে সকল নিভর্রযোগ্য উৎস থেকে প্রাপ্ত প্রকৃত ইতিহাস এবং সঠিক বর্ণনাসমেত মনোনয়ন নথি তৈরি করা হয়।

১৭ মে থেকে ২৪ মে ২০১৬ তারিখের মধ্যে তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম চলে। মনোনয়ন নথি জমা দেবার শেষ তারিখ ছিলো ৩১ মে ২০১৬। যথাসময়ে নথিটি ইউনেস্কো সদর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট বিভাগে জমা দেয়া হয়।

ইতোমধ্যে, নানকিং হত্যাযজ্ঞ ২০১৬ সালে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসাবে রেজিস্টারভুক্ত হওয়া কে কেন্দ্র করে চীন এবং জাপানের মধ্যকার বিবাদের কারনে মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড কার্যক্রম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে। ঐ বিবাদের কারনে সেপ্টেম্বর ২০১৭ তে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা কমিটির সভা অক্টোবর ২০১৭ তে পুন:নির্ধারিত হয় এবং নতুন তারিখেও উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এহেন পরিস্থিতিতে, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে আমি ইউনেস্কোর মহাপরিচালকের সাথে সাক্ষাত করে যথাসময়ে আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা কমিটির সভাটি আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করি। এই পরিপ্রেক্ষিতে, ২৪ থেকে ২৭ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা কমিটির মূল্যায়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঐ সভায় বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটিকে মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার-এ বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসাবে অন্তর্ভুক্তির জন্য সুপারিশ করে তা চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ইউনেস্কোর মহাপরিচালক মিস ইরিনা বোকোভার নিকট প্রেরন করা হয়।

৩০ অক্টোবর ২০১৭-তে ইউনেস্কোর মহাপরিচালক মিস ইরিনা বোকোভা মনোনয়ন নথিটি চূড়ান্ত অনুমোদন করলে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয় যা ইউনেস্কোর সদর দপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকলকে অবগত করা হয় ।

ভয়েস অফ আমেরিকাঃ আপনার জানা মতে বঙ্গবন্ধুর এই ঐতিহাসিক ভাষণটি এখন পর্যন্ত বিশ্বের কতগুলো ভাষায় অনুদিত হয়েছে? কি কি ভাষায় ভাষণটির সাব টাইটেল আছে?

রাষ্ট্রদূত এম সহিদুল ইসলামঃ এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুসারে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি জাতিসংঘের ছয়টি অফিসিয়াল ভাষাসহ মোট ২০টি বিদেশী ভাষায় অনুদিত হয়েছে । আমার জানা মতে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রচারিত ভাষণের কনটেন্টে শুধু ইংরেজী সাবটাইটেল ব্যবহার করা হয়েছে।

ভয়েস অফ আমেরিকাঃ যুক্তরাষ্ট্রের লাইব্রেরী অফ কংগ্রেসসহ পৃথিবীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লাইব্রেরী ও আর্কাইভে কি এই ভাষণটির কোনো অডিও বা লিখিত কপি সংরক্ষিত আছে? এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কি ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে? আরও কি ধরনের উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে বলে আপনি মনে করেন?

রাষ্ট্রদূত এম সহিদুল ইসলামঃ ২০১৬ সালে তথ্য মন্ত্রণালয়ের আর্কাইভ থেকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ উদ্ধার করার পর থেকেই বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অডিও বা লিখিত কপি সংরক্ষণের নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ভয়েস অব আমেরিকাকে আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি যুক্তরাষ্ট্রের লাইব্রেরী অব কংগ্রেসে সংরক্ষণের বিষয়টি আমাদের নজরে আনার জন্য। এ বিষয়টির সম্ভাব্যতা যাচাই করার জন্য আমরা দূতাবাসের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। ভবিষ্যতে এ ব্যাপারে অধিকতর প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।

ভয়েস অফ আমেরিকাঃ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি ডায়াস্পোরা কমিউনিটি বিশেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকানদের মাঝে এই ভাষণটি সম্পর্কে আগ্রহ ও ভাষণটির সহজপ্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে আপনারা কি ধরণের উদ্যোগ নিয়েছেন বা নেয়ার পরিকল্পনা করছেন?

রাষ্ট্রদূত এম সহিদুল ইসলামঃ বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ সম্বলিত একটি এনড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন গুগল প্লে-স্টোরে যুক্ত করেছে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। ৭ মার্চের স্পিচ অ্যানালাইসিস নামের এই অ্যাপ ইন্সটল করলে বিশ্লেষণসহ যে কেউ এই ভাষণ শুনতে পারবেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকানদের কাছে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শকে তুলে ধরতে আমরা দূতাবাসের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি। এ ব্যাপারে আমরা আমাদের জন-কূটনীতি পদক্ষেপসমূহ অনেক শক্তিশালী করেছি। দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু কর্নারে স্থাপিত টিভিস্ক্রিনে ভাষণটি প্রাত্যহিকভাবে প্রদর্শন করা হয়। এছড়া দূতাবাসের পক্ষ থেকে ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইটে আপলোড করা হবে যাতে ভাষণটি তরুণ প্রজন্মের কাছে আরো আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।

ভয়েস অফ আমেরিকাঃ এবারে ৭ই মার্চ উপলক্ষে বাংলাদেশে দূতাবাসের পক্ষ থেকে আপনারা কী কর্মসুচী নিয়েছেন?

রাষ্ট্রদূত এম সহিদুল ইসলামঃ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ২০২২ যথাযথ মর্যাদায় পালন করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ দূতাবাস বেশ কিছু কর্মসূচী গ্রহণ করছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের ৫১তম বার্ষিকী উপলক্ষে দূতাবাসে আয়োজিত কর্মসূচীর মধ্যে থাকবে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতার আবক্ষ ভাস্কর্যে পুস্পার্ঘ্য অর্পণ, জাতীয় নেতৃবৃন্দ কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের উপর আলোচনাসভা, এবং বিশেষ প্রার্থনা। কোভিড-১৯ অতিমারীর প্রেক্ষিতে বিদ্যমান স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে দূতাবাসের সকল সদস্য এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।

ভয়েস অফ আমেরিকাঃ বর্তমান প্রজন্ম ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণটি থেকে মূলতঃ কি শিক্ষা বা অনুপ্রেরণা নেবে?

রাষ্ট্রদূত এম সহিদুল ইসলামঃ বর্তমানে নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের একাধিক পাঠ্যবইয়ে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটি পাঠ্য করা হয়েছে। উচ্চ শিক্ষায় বেশ কিছু পাবলিক বিশ্ববদ্যালয়ে ভাষণটিকে সিলেবাসভুক্ত করা হয়েছে। যেকোনো ন্যায়ের পক্ষের সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু তরুণ প্রজন্মের পথিকৃৎ। ৭ই মার্চের ভাষণ বর্তমান প্রজন্মকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায়। মাথানত না করে অবিচল থেকে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখায়।
XS
SM
MD
LG