অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

দক্ষিণ আফ্রিকার রামাফোসাকে রাশিয়া-ইউক্রেন আলোচনায় মধ্যস্থতা করতে বলা হচ্ছে  


ফাইল ছবি: দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সাইরিল রামফোসা ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ব্রাজিলে ব্রিকস বাণিজ্য কাউন্সিল বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন, ১৪ই নভেম্বর, ২০১৯/এপি

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা বলেছেন, তার প্রতিপক্ষ ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে কথা বলার পর তাকে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শান্তিতে মধ্যস্থতা করতে সাহায্য করার জন্য বলা হয়েছে। তবে কিছু বিশ্লেষক প্রশ্ন করছেন যে রাশিয়ার সাথে দক্ষিণ আফ্রিকার সম্পর্ক তার নিরপেক্ষতাকে প্রভাবিত করতে পারে কিনা।

প্রতিবেশী ইউক্রেনে আগ্রাসনের জন্য রাশিয়াকে তিরষ্কার করতে দেশটি জাতিসংঘের ভোট থেকে বিরত থাকার পরে মধ্যস্থতার সম্ভাব্য ভূমিকা আসে।

ওয়েস্টার্ন কেপ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ভেকি মঙ্গোমেজুলু বলেছেন, অনুরোধটি অবাক হওয়ার মতো নয়।

রাশিয়া বা অন্য কোনো দল এই অনুরোধ করেছে কিনা তা প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়নি। এই স্বচ্ছতার অভাব দক্ষিণ আফ্রিকার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার একটি কারণ হতে পারে। সংঘাতের বিষয়ে অবস্থানে দেশটি দোদুল্যমান রয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ গত মাসে একটি বিবৃতি জারি করে রাশিয়াকে ইউক্রেন থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছিল। তারপর থেকে আহ্বানটি সরকারি বিবৃতি থেকে সরানো হয়েছে, এবং রামাফোসা এ ব্যাপারে নরম অবস্থান নিয়েছেন। বিরোধের মধ্যস্থতার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার সুনাম রয়েছে।

দেশটি নিজস্ব বর্ণবাদী শাসন থেকে শান্তিপূর্ণ ভাবে বেরিয়ে আসা থেকে শুরু করে সুদানের মতো সংঘাতে থাকা অন্যান্য আফ্রিকান দেশগুলোকে সমর্থন করার কারণে মধ্যস্থতার জন্য খ্যাতি অর্জন করেছে।

তবে এই আলোচনার নেতৃত্ব দেয়া ক্ষমতাসীন আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টিরও রাশিয়ার সাথে কয়েক দশকের পুরনো সম্পর্ক রয়েছে।

অ্যাটর্নি এবং পরামর্শদাতা সংস্থা স্ট্রেট এলাইন-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চার্লস নুপেন বলেছেন, আলোচনায় কে মধ্যস্থতা করে তা নির্বিশেষে এটি কীভাবে কার্যকর হবে সে সম্পর্কে অন্যান্য প্রশ্ন রয়েছে।

নুপেন বলেন, তিনি মনে করেন প্রথম অগ্রাধিকার হবে যুদ্ধবিরতি।

XS
SM
MD
LG