চীনে নতুন কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা মঙ্গলবার দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।দুই বছর আগে মহামারী শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটি এই রোগের সবচেয়ে বড় প্রাদুর্ভাবের সাথে লড়ছে।
চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশন জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় স্থানীয় সংক্রমণের ৩৫০৭টি নতুন কেস নিশ্চিত করা হয়েছে শনাল একদিন আগের সংক্রমণের সংখ্যা ছিল ১,৩৩৭, এই সর্ব সাম্প্রতিক সংখ্যার চেয়ে কম।
নতুন সংক্রমণ বৃদ্ধি ঠেকাতে কর্তৃপক্ষ উত্তর-পূর্ব চীনজুড়ে নানান মাত্রার বিধিনিষেধ আরোপ করছে।প্রদেশিক রাজধানী চাংচুনের ৯০ লাখ বাসিন্দার ওপর “স্টে এট হোম অর্ডার” মানে , “ বাড়িতে থাকুন” আদেশ আরোপ করা হয়েছে। এ অঞ্চলের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ জিলিন প্রদেশের কর্মকর্তারা প্রদেশটির বাসিন্দাদের প্রদেশের ভেতরে ও বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই ভ্রমণ করতে নিষেধ করেছে।
কোভিডের প্রাদুর্ভাব রোধ করার উদ্দেশ্যে দক্ষিণ-পূর্ব প্রদেশ গুয়াংডং-এর চীনের প্রযুক্তি ও উৎপাদন কেন্দ্র শেনজেন শহরের কারখানাগুলোর কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। আধা-স্বায়ত্তশাসিত শহর হংকং-এর সীমান্তে অবস্থিত শেনজেনে হলো যুক্তরাষ্ট্রের টেক জায়ান্ট অ্যাপলের পাশাপাশি টেনসেন্ট এবং হুয়াওয়ের প্রধান সরবরাহকারী ফক্সকনের মতো বড় কার্যক্রমগুলোর আবাসস্থল।
ইতোমধ্যে চীনের অর্থনৈতিক কেন্দ্র সাংহাইতে পৌঁছানোর জন্য নির্ধারিত শত শত আন্তর্জাতিক এবং অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটকে অন্য শহরে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কারণ সাংহাইয়ে নতুন কোভিডের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বেইজিংয়ের সরকারি "জিরো কোভিড" কৌশল সত্ত্বেও অতি মাত্রায় সংক্রামক ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট সংক্রমণে চীনে নতুন কোভিড সংক্রমণ ক্রমশ বাড়ছে। ভূখণ্ড জুড়ে করোনভাইরাস প্রাদুর্ভাবকে সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা “জিরো কোভিড” কৌশলের লক্ষ্য ।