অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

কক্সবাজারের উখিয়ার আশ্রয়শিবির থেকে বিদেশি পিস্তলসহ সন্দেহভাজন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্ৰেপ্তার


বিদেশি পিস্তল, ম্যাগজিন ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ওমর ফারুক।

বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগজিন ও গুলিসহ ওমর ফারুক (২৫) নামে একজন সন্দেহভাজন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

ফারুক উখিয়ার ময়নার ঘোনা আশ্রয়শিবিরের (ক্যাম্প-১২) জি-১ ব্লকের মো. সলিমুল্লাহর ছেলে।

বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) ভোররাতে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের তানজিনারমার খোলা আশ্রয়শিবিরের (ক্যাম্প-১৩) কাঠালতলী বাজার থেকে ওমর ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুরে তাকে উখিয়া থানা পুলিশে হস্তান্তর করে অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করে ক্যাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সিহাব কায়সার খান ভয়েস অফ আমেরিকার এই প্রতিবেদককে বলেন, “ওমর ফারুক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকাভুক্ত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন ও ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ওমর ফারুক স্বীকার করেন যে, তিনি (ওমর) মিয়ানমার জান্তা সরকার বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের একজন। কয়েক দিন আগে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে উখিয়ার ময়নারঘোনা আশ্রয়শিবিরে অবস্থান করছিলেন। আবার মিয়ানমার ফিরে যাওয়ার আগে তানজিনারমার খোলা আশ্রয়শিবিরে (ক্যাম্প-১৩) কাঠালতলী বাজারে এসেছিলেন প্রয়োজনীয় কিছু জিনিসপত্র কিনতে। এ সময় তিনি এপিবিএন পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। তার শরীর তল্লাশি করে তখন বিদেশি পিস্তলসহ গুলি ও ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়।”

পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, ওমর ফারুকের হাতে কারা বিদেশি অস্ত্র তুলে দিয়েছে, অস্ত্রের উৎস কোথায় এবং তার সঙ্গে আশ্রয়শিবিরে আর কারা জড়িত; তার অনুসন্ধান চালাচ্ছে আইনশৃংখলা বাহিনী।

২০১৭ সালের ২৫ অগাস্টের পর মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নেয় ৮ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী। এর আগে আসে আরও কয়েক লাখ শরণার্থী। বর্তমানে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি আশ্রয়শিবিরে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা সাড়ে ১১ লাখের বেশি। পাঁচ বছরেও রোহিঙ্গাদের নিজভুমে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম শুরু হয়নি।

XS
SM
MD
LG