অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

পার্টনারশিপ ডায়ালগে যোগ দিতে ঢাকায় পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের আন্ডার সেক্রেটারি নুল্যান্ড

পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের সাথে দেখা করেন যুক্তরাষ্ট্রের আন্ডার সেক্রেটারি ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড।
পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের সাথে দেখা করেন যুক্তরাষ্ট্রের আন্ডার সেক্রেটারি ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড।

বাংলাদেশের সঙ্গে অষ্টম “পার্টনারশিপ ডায়ালগে” যোগ দিতে ঢাকায় পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনৈতিকবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড। রবিবার (১৯ মার্চ) বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ডকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন আসন্ন এই সংলাপে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন।

সফরকালে নুল্যান্ড বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

দক্ষিণ এশিয়ায় তার ত্রিদেশীয় সফরের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে এসেছেন নুল্যান্ড। এরপর তিনি ভারত ও শ্রীলঙ্কা সফর করবেন। যেখানে তিনি সমগ্র ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারত্ব সম্পর্কে আলোচনা করবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিনিধিদলের ১৯-২৩ মার্চ বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় সফরের সময় নুল্যান্ড ইন্দো-প্যাসিফিক অংশীদারদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি এবং সহযোগিতার ওপর জোর দেবেন৷

আন্ডার সেক্রেটারি নুল্যান্ড বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায় “অংশীদারত্ব সংলাপ” ও দিল্লিতে পররাষ্ট্র দপ্তরে কনসাল্টেশনে অংশ নেবেন।

আন্ডার সেক্রেটারি নুল্যান্ড ও প্রতিনিধিদল ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার জন্য অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকে শক্তিশালী করতে এবং সম্পর্ককে আরও গভীর করতে সুশীল সমাজ এবং ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন।

প্রতিনিধিদলের অন্য সিনিয়র সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী সচিব ডোনাল্ড লু ও নীতিবিষয়ক উপ-আন্ডার সেক্রেটারি আমান্ডা ডরি।

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের এক কর্মকর্তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে আসন্ন “অংশীদারত্ব সংলাপকে” দুই দেশের মধ্যে “দৃঢ় সম্পর্ক” প্রসারিত করার একটি সুযোগ হিসেবে দেখছে।

দুই পক্ষই মনে করে সম্পর্কের বহুমুখী দিক কোনো একক ইস্যু দ্বারা ব্যাহত হবে না।

দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের সম্পূর্ণ ধারা-নিরাপত্তা সহযোগিতা, বাণিজ্য, শ্রম অধিকার, বিনিয়োগের সুযোগ, মানবাধিকার, শাসন, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বৈশ্বিক হুমকি, একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলসহ আঞ্চলিক সমস্যাগুলো সবই সংলাপের পরিধির মধ্যে পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

This item is part of
XS
SM
MD
LG