অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

চীনের বিমান দুর্ঘটনায় জীবিতদের তল্লাশি অব্যাহত 


চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইনস বিধস্ত হওয়ার পর গুয়াংজু বিমানবন্দরে অপেক্ষমান এক আত্মীয়, ২২শে মার্চ, ২০ ২২/নং হান গুয়ান/এপি
চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইনস বিধস্ত হওয়ার পর গুয়াংজু বিমানবন্দরে অপেক্ষমান এক আত্মীয়, ২২শে মার্চ, ২০ ২২/নং হান গুয়ান/এপি

দক্ষিণাঞ্চলীয় চীনে উদ্ধারকারী দল মঙ্গলবার চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইনস এর বিধ্বস্ত বিমান থেকে জীবিত আরোহীদের তল্লাশি অব্যাহত রাখেন। বিমানটি ১৩২জন যাত্রী নিয়ে বিধ্বস্ত হয়। কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন বিমানটি প্রচন্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা দুষ্কর হয়ে উঠছে।

ফ্লাইট এমইউ ৫৭৩৫ সোমবার দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ ইউনানের রাজধানী কুনমিং থেকে বন্দরনগর গুয়াংজু'র পথে যাত্রা শুরু করে এবং অবতরণের এক ঘন্টা আগে তার গতিপথ থেকে ছিটকে গুয়াংসি পার্বত্য এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।

সিভিল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব চায়না'র নিরাপত্তা বিষয়ক পরিচালক, জু টাও রয়টার্সকে জানান, জীবিত কাউকে এখনো পাওয়া যায় নি।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন মাধ্যমে আগুনে পুড়ে যাওয়া প্লেনটির ধ্বংসাবশেষ গাছের মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পুড়ে যাওয়া পরিচয়পত্র এবং ‘মানি ব্যাগ’ ও ছড়িয়ে ছিল। এ সপ্তাহে এই অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ছিল না।

২০১০ সালে চীনে সর্বশেষ যাত্রীবাহী বিমানের দুর্ঘটনায় হেনান এয়ারলাইন্স পরিচালিত এমব্রয়ের ই-১৯০ বিমানটি বিধ্বস্ত হলে ৯৬জন যাত্রীর মধ্যে ৪৪ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন।

দুর্ঘটনায় উচ্চ মাত্রার উদ্বেগ প্রকাশ করে ভাইস প্রিমিয়ার লিউ হে সোমবার রাতে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান তদারকি করতে গুয়াংসি এলাকা সফর করেন।

এই দুর্ঘটনা এমন সময় হলো যখন বোয়িং বিমান সংস্থা কতগুলো সঙ্কট কাটিয়ে ওঠার প্রয়াস চালাচ্ছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিমান ভ্রমণে করোনা মহামারীর প্রভাব ও মারাত্মক দুটি দুর্ঘটনার পর ৭৩৭ ম্যাক্স মডেলটির নিরাপত্তা বিষয়ক উদ্বেগ।

XS
SM
MD
LG