অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে করোনার গণটিকার দ্বিতীয় রাউন্ড শুরু


করোনা টিকা কর্মসূচি (ফাইল ছবি)

বাংলাদেশে এক কোটি করোনা টিকা কর্মসূচির দ্বিতীয় রাউন্ড সোমবার (২৮ মার্চ) থেকে শুরু হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণটিকাদানের এই কর্মসূচি ৩০ মার্চ পর্যন্ত চলবে।

এতে বলা বলা হয়, গত ২৬-২৮ ফেব্রুয়ারি তিন দিনের গণটিকায় যারা প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন, তারা সোমবার থেকে দ্বিতীয় ডোজ টিকা পাবেন।

১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী ব্যক্তিরা যাদের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর চার মাস অতিবাহিত হয়েছে তারা এসএমএস না পেলেও কেন্দ্রে গেলে বুস্টার ডোজ গ্রহণ করতে পারবেন।

এ ছাড়া ১২ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সীরা যাদের প্রথম ডোজ গ্রহণের পর ২৮ দিন অতিবাহিত হয়েছে তারা এই কর্মসূচির অধীনে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে পারবে। শুধু অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকাপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে প্রথম ডোজ গ্রহণের পর দুই মাস অতিবাহিত হলে দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে ১২ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী শিক্ষার্থী যারা এখনো প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণ করেনি তাদের এই কর্মসূচি চলাকালে প্রথম ডোজ নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের ৯০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকার গত ২৬ ফেব্রুয়ারি অন্তত ১ কোটি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়ার উদ্যোগ নেয়। পরে এই কর্মসূচি ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

করোনায় মৃত্যু ১, শনাক্ত ৮১

টানা ৯৬ ঘণ্টা মৃত্যুশূন্য থাকার পর মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (রবিবার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮১ জন।

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২৯ হাজার ১১৯ জন এবং মোট শনাক্তের সংখ্যা ১৯ লাখ ৫১ হাজার ৩৬৩ জনে পৌঁছেছে।

সোমবার (২৮ মার্চ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ হাজার ৩৯৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এই সময়ে শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৮৬ শতাংশ। মোট পরীক্ষায় এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ১৪ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় মোট মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৯ শতাংশ।

এদিকে ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন আরও ৯৯৩ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৭৮ হাজার ৭৯৭ জনে। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৬ দশমিক ২৮ শতাংশ।

XS
SM
MD
LG