ইস্তানবুলে ইউক্রেনীয় ও রুশ প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনার আগে সাংবাদিকরা ডলমাবাহচে প্রাসাদের বাইরে কাজ করছেন। ২৯ মার্চ, ২০২২ ।
ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন বন্ধ করার লক্ষ্যে মঙ্গলবার তুরস্কে নতুন এক দফা শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে। ইউক্রেনীয় সেনারা রাশিয়ার স্থল বাহিনীর কাছ থেকে আরও শহর পুনরুদ্ধার করেছে বলে মনে হচ্ছে। রাশিয়ার স্থল বাহিনীর অগ্রগতি ইউক্রেনীয় যোদ্ধাদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে স্থবির হয়ে পড়েছে।
ইস্তানবুলে আলোচনা শুরু হবার আগে রাশিয়া ও ইউক্রেনের আলোচকদের উদ্দেশে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এরদোয়ান টিভিতে সম্প্রচারিত বক্তৃতায় বলেন, একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তিতে পৌঁছানো এবং “এই ট্র্যাজেডির অবসান ঘটানো”র ব্যাপারগুলো উভয় পক্ষের ওপর নির্ভরশীল।
রোববার রাশিয়ান সাংবাদিকদেরকে ফোনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি বলেছেন তৃতীয় পক্ষ নিশ্চয়তা দিলে এবং গণভোট হলে শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণের জন্য ইউক্রেন রাজি।
আলোচনা শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে প্রেসিডেন্ট জেলেন্সকি বলেন, মস্কোর বিরুদ্ধে আরোপিত পশ্চিমা দেশগুলোরে নিষেধাজ্ঞাগুলো “কার্যকর এবং যথেষ্ট” হতে হবে যাতে সেগুলো রাশিয়ার অর্থনীতিতে অভিপ্রেত প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে আমেরিকার একজন ঊর্ধ্বতন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেছেন যে, ইউক্রেনীয় সেনারা উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর সুমির কাছে অবস্থিত ট্রস্টিয়ানেটস শহরটি পুনরুদ্ধার করেছে। অন্যদিকে জেলেন্সকি তার সোমবার রাতের বক্তৃতায় বলেছিলেন, ইউক্রেনীয় সেনারা কিয়েভের শহরতলি ইরপিনকে মুক্ত করেছে।
জাতিসংঘ বলেছে যে, ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের ফলে ১ কোটি মানুষ গৃহহীন হয়েছে, দেশ ছেড়ে পালিয়েছে ৩৮ লাখেরও বেশি মানুষ।