অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে প্রধান মিত্ররা পরিত্যাগ করায় তার ক্ষমতাচ্যুতি আসন্ন বলে মনে হচ্ছে

প্রধান মিত্ররা পরিত্যাগ করার পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ক্ষমতাচ্যুতি আসন্ন বলে মনে হচ্ছে
প্রধান মিত্ররা পরিত্যাগ করার পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ক্ষমতাচ্যুতি আসন্ন বলে মনে হচ্ছে

বুধবার পাকিস্তানের বিপর্যস্ত প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার সরকার এক গুরুতর রাজনৈতিক আঘাতের মুখোমুখি হয়েছেন। ইমরান খান সরকারের জোটের আরেক প্রধান অংশীদার পরের সপ্তাহের শুরুতে অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য বিরোধী দলে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) জিতলেও সংসদে ৩৪২ সদস্যের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ব্যর্থ হয়। তাকে এমকিউএম-সহ রাজনৈতিক মিত্রদের সহায়তায় জোট সরকার গঠন করতে হয়। সপ্তাহের শুরুতে আরেক আঞ্চলিক মিত্র বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টি (বিএপি)-র সমর্থন হারিয়েছে পিটিআই।

যাই হোক, বিরোধী নেতা ও বিশ্লেষকরা ইদানীং বলছেন যে, প্রধান নিরাপত্তা এবং বৈদেশিক নীতি সংক্রান্ত বিষয়ে ইমরান খান সেনা প্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ার সমর্থন হারিয়েছেন, যা বিরোধীদের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের কার্যক্রম শুরু করতে উৎসাহিত করেছে।

পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিষয়ে দেশটির সামরিক বাহিনী কোনো হস্তক্ষেপের কথা অস্বীকার করে প্রকাশ্যে বলেছে যে, বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা শুরু হবে এবং সোমবারের মধ্যে ভোট হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বুধবার ইমরান খান মন্ত্রীসভার বৈঠকও ডেকেছেন।

পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি ও গভীরতর অর্থনৈতিক সমস্যাগুলোর মধ্যেই সাম্প্রতিক এ রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হয়েছে। এ সমস্যাগুলোর জন্য ইমরান খান পূর্ববর্তী প্রশাসনের অধীনে ব্যাপক দুর্নীতি ও গত কয়েক বছরে বারবার মহামারী সংক্রান্ত লকডাউনকে দায়ী করেছেন।

দেশের ক্রমহ্রাসমান বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিশ্চিত করার জন্য ৬ বিলিয়ন ডলারের বেইল আউট প্যাকেজের পরবর্তী ধাপ সুরক্ষিত করতে ইমরান খানের সরকার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাথে কাজ করছে।

This item is part of
XS
SM
MD
LG