অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইউক্রেন ‍যুদ্ধের প্রেক্ষাপটেই ইইউ ও চীনের নেতাদের মধ্যে বৈঠক


একটি পর্দায় লাইভ বৈঠকে নেতারা। উপরে বাম থেকে ডানে, চীনের প্রেসিডেন্ট , ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট । নিচে বাম থেকে ডানে, জার্মানীর তদানীন্তন চ্যান্সেলর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট , এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট ।

গত মাসে রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ চালানোর আগেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও চীনের মধ্যে একটি বৈঠক হবার কথা ছিল। তবে, মাত্র এই সপ্তাহেই চীন সেটিতে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণাটি দেয়। বৈঠকটির আলোচ্যসূচিতে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য এবং এমন বিষয় যেটিকে ইইউ “সর্বজনীন মূল্যবোধ” হিসেবে আখ্যায়িত করে। তবে, ইউক্রেনের সংঘাতটি সবকিছুর শীর্ষে রয়েছে।

ইউক্রেন যুদ্ধের বিষয়ে চীন নিজেদের নিরপেক্ষ হিসেবে তুলে ধরে। তবে একদিকে বেইজিং যদিও বলে যে যুদ্ধটির কারণে তারা “শোকাহত”, তবুও অন্যদিকে চীন ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এই সপ্তাহের বৈঠকটিতে দেশ দুইটির কৌশলগত সম্পর্কের বিষয়ে তারা উভয়েই পুনরায় আশ্বস্ত করেন।

এমন ধরণের বার্তা নতুন কিছু নয়। তবে, এগুলোর ফলে শুক্রবারের ভার্চুয়াল বৈঠকটির প্রেক্ষাপটটি বেশ অস্বস্তিদায়ক হয়ে উঠেছে। বৈঠকটিতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং এবং ইইউ এর সর্বোচ্চ দুই কর্মকর্তা আরসুলা ভন ডার লেয়েন ও চার্লস মিশেল অংশগ্রহণ করবেন।

দ্য মারকেটর ইন্সটিটিউট ফর চায়না স্টাডিজ নামের জার্মানীর একটি চিন্তক গোষ্ঠীর ইইউ-চীন বিষয়ক বিশ্লেষক হলেন ফ্র্যান্চেসকা ঘিরেটি। তিনি বলেন, চীন আশা করে যে বৈঠকটির ফলে ইইউ এর ভূ-রাজনৈতিক স্বভাব এবং বাইডেন প্রশাসনের আমলে ওয়াশিংটন এর সাথে ইইউ এর আরও গভীর সম্পর্কটির বিষয়ে চীন সম্যক জ্ঞান লাভ করতে পারবে।

তিনি বলেন, ইইউ চায় যে চীন যাতে রাশিয়াকে ইউক্রেনে যুদ্ধটি বন্ধ করতে চাপ প্রয়োগ করে। না হলেও যেন অন্তত মানবিক করিডোরের বিষয়ে নিশ্চয়তা গ্রহণ করে। যুক্তরাষ্ট্রের মত ইউরোপও এটা নিশ্চিত করতে চায় যে, চীন যেন রাশিয়াকে সামরিক বা অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান না করে।

“তবে একটি অভিন্ন জিনিস তারা উভয়ই চায় – সেটা হল যে বেইজিং ও ব্রাসেলস এর মধ্যে যাতে যোগাযোগ অটুট থাকে।”

XS
SM
MD
LG