অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

কঙ্গোর সহিংস সংঘর্ষ থেকে পালিয়ে আসা হাজার হাজার মানুষের জরুরি সহায়তার প্রয়োজন

ফাইল – ১৯শে মার্চ ২০১৮, কঙ্গো গণ প্রজাতন্ত্র থেকে পালিয়ে আসা পরিবারগুলি উগান্ডার কিয়াংওয়ালির শরণার্থী বসতি শিবিরে
ফাইল – ১৯শে মার্চ ২০১৮, কঙ্গো গণ প্রজাতন্ত্র থেকে পালিয়ে আসা পরিবারগুলি উগান্ডার কিয়াংওয়ালির শরণার্থী বসতি শিবিরে

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা বলছে, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো(ডিআরসি)’র উত্তর কিভু প্রদেশে এ সপ্তাহের শুরুর দিকে সহিংস সংঘর্ষের কারণে পালিয়ে আসা প্রায় ৪৬ হাজার কঙ্গোবাসীর জরুরি সহায়তার প্রয়োজন।

২৮শে মার্চ একটি বিদ্রোহী সামরিক দল এম২৩ এবং উত্তর কিভু প্রদেশের রুতশুরু অঞ্চলে কঙ্গোর সেনাবাহিনীর মধ্যে যে লড়াই শুরু হয়েছিল তাতে আনুমানিক ১০ হাজার মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে নিরাপত্তার জন্য উগান্ডায় পালিয়ে যায়। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, ডিআরসি'র মধ্যে আরও প্রায় ৩৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

মুখপাত্র বরিস চেরশিকভ ভয়েস অফ আমেরিকাকে বলেন, ইউএনএইচসিআর-এর কর্মীরা যারা সীমান্তে নতুন আসা শরণার্থীদের স্বাগত জানাতে এসেছিলেন তারা দূর থেকে ভেসে আসা গোলাগুলির আওয়াজ শুনতে পান।

তিনি বলেন, “সেখানে আসা লোকজনের মধ্যে কয়েক জনের শরীরে গুলির আঘাত ছিল। তাদের চিকিৎসা করা দরকার ছিল।” তিনি বলেন, “এদের অনেকেই কাছাকাছি একটি স্কুল এবং হাসপাতালে বা স্থানীয় পরিবারের কাছে আশ্রয় পেয়েছে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ খোলা মাঠের নীচে বাস করছে এবং সেখানে ভারী বৃষ্টির হওয়ায় পরিস্থিতি আরও শোচনীয় হয়ে উঠেছে”।

চেশিরকভ বলেন, মৌলিক সহায়তা প্রদানের জন্য ইউএনএইচসিআর উগান্ডার সরকার ও মানবিক সাহায্য দানকারী অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছে এবং তাদের কয়েকজনকে কঙ্গো সীমান্ত বরাবর ট্রানজিট সেন্টারগুলোতে স্থানান্তর করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ডিআরসির অভ্যন্তরে বাস্তুচ্যুত প্রায় ৩৬হাজার মানুষের বেশিরভাগই আশ্রয়দানকারী পরিবারের সাথে বা বাজার এবং স্কুলে বসবাস করছে। তিনি আরও বলেন যে নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে ঐ সব মানুষের কাছে সহায়তা সরবরাহ করা কঠিন হয়ে উঠেছে।

This item is part of
XS
SM
MD
LG