পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য বিরোধী দলকে বাধা দেয়ার বৈধতা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য একটি শুনানি বুধবার পর্যন্ত স্থগিত করেছে সে দেশের সুপ্রিম কোর্ট। এ বিরোধের কারণে পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশটিতে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
প্রাক্তন ক্রিকেট তারকা ইমরান খান গত সপ্তাহে তার সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছেন এবং ঐক্যবদ্ধ বিরোধীদের উত্থাপিত একটি অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি হয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছিল রোববার সে অনাস্থা ভোটে তিনি হারবেন।
কিন্তু ইমরান খানের দলের একজন সদস্য যিনি সংসদের ডেপুটি স্পিকার প্রস্তাবটি বাতিল করে দেন, এটিকে বিদেশী ষড়যন্ত্রের অংশ এবং অসাংবিধানিক বলে রায় দেন। এরপর ইমরান খান সংসদ ভেঙে দেন। সোমবার থেকে শুরু হওয়া মামলায় বিরোধীরা ইমরান খানের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে।৫ জন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত প্যানেল কখন রায় দিতে পারে তা জানায়নি।
দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ক্ষমতার শূন্যতা তৈরি করবে যার প্রভাব পড়তে পারে নগদ-সঙ্কুচিত অর্থনীতিকে সাহায্য করার জন্য তহবিল সুরক্ষিত করার উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাথে আলোচনার মতো বিষয়গুলোর উপর ।
রাজনৈতিক অরাজকতা শক্তিশালী সামরিক বাহিনীকেও উদ্বিগ্ন করবে। অতীতে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার অবসানের প্রয়োজনীয়তার উল্লেখ করে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী বেসামরিক সরকারকে অপসারণ করে ৩ বার শাসন ক্ষমতা গ্রহণ করেছে।
ইমরান খান তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনলে এ রাজনৈতিক অস্থিরতা পাকিস্তানের দীর্ঘকালীন মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সাথেও দেশটির সম্পর্ককে হুমকির মুখে ফেলছে।
ইমরান খানের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাখ্যান করেছে।