অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম পর্ব আরম্ভ হয়েছে


ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাঁক্রো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম পর্বে ভোট দিচ্ছেন। ১০ এপ্রিল, ২০২২। (ছবি রয়টার্স)

ফ্রান্স জুড়ে রবিবার দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম পর্ব আরম্ভ হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বী ১২ জন প্রার্থীর মধ্য থেকে ভোট দিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করবেন দেশটির ৪ কোটি ৮০ লক্ষ ভোটার।

প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাঁক্রো দ্বিতীয় দফায় আরও পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে, কট্টর ডানপন্থীদের থেকে ব্যাপক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন তিনি।

রবিবার সকাল ৮ টায় ভোট গ্রহণ আরম্ভ হয়েছে। বেশিরভাগ এলাকাতেই সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত (১৭০০ ঘটিকা, গ্রীনিচ মান সময়) ভোট গ্রহণ অব্যাহত থাকবে। তবে, কিছু বড় শহরে অতিরিক্ত আরও এক ঘন্টা ভোট গ্রহণ চলবে।

যদি দেশব্যাপী ভোটে কোন প্রার্থী অর্ধেকের বেশি ভোট না পান, তাহলে সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত দুইজন প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে ২৪ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় আরেকবার চূড়ান্ত ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

ম্যাঁক্রো ছাড়াও, কট্টর ডানপন্থী মারিন ল্য পেন এবং কট্টর বামপন্থী জ্যঁ-লুক মেলেনশ্, এলিস্যির পরবর্তী বাসিন্দা হওয়ার জন্য জোরালো প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়াই করছেন।

মাত্র কয়েকদিন আগেই ভিক্টর অরবান চতুর্থ মেয়াদে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর মানুষের নজর এখন ফ্রান্সের পুনরুত্থিত কট্টর ডানপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বীর দিকে রয়েছে। বিশেষ করে ন্যাশনাল র‌্যালী দলের প্রধান ল্য পেন-এর দিকে। তিনি রাস্তাঘাটে মুসলিমদের মাথার স্কার্ফ পরা নিষিদ্ধ করতে এবং হালাল ও কোশার মাংসের কসাইদের নিষিদ্ধ করতে চান। এছাড়াও ইউরোপের বাইরে থেকে অভিবাসনও ব্যাপকভাবে হ্রাস করতে চান তিনি। এই নির্বাচনটি যুদ্ধ পরবর্তী ফ্রান্সের পরিচয় নির্ধারণ করতে ভূমিকা রাখবে এবং ইউরোপীয় জনপ্রিয়তাবাদ বাড়ছে না কমছে তা নির্দেশ করবে।

অপরদিকে, যদি ম্যাঁক্রো জয়লাভ করেন তাহলে সেটিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য একটি জয় হিসেবে দেখা হবে।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন যে, ম্যাঁক্রো পুননির্বাচিত হলে সেটি ইউরোপীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে বর্ধিত সহযোগিতা ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা অনেকাংশেই বাড়িয়ে তুলবে। বিশেষ করে এমন সময়ে যখন কিনা জার্মানীতেও একটি ইইউ পন্থী সরকার ক্ষমতায় রয়েছে।

XS
SM
MD
LG