অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আফ্রিকার ৬ দেশে ও ইয়েমেনে খাদ্যাভাব মোকাবেলায় ১০ কোটি ডলার দিচ্ছে জাতিসংঘ

ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলের যুদ্ধবিধ্বস্ত হোদেইদা প্রদেশের একটি ক্লিনিকে অপুষ্টিতে ভোগা এক শিশুকে খাবার খাওয়াচ্ছেন ইয়েমেনের এক নারী, ৭ অগাস্ট ২০২১। (ফাইল ফটো)
ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলের যুদ্ধবিধ্বস্ত হোদেইদা প্রদেশের একটি ক্লিনিকে অপুষ্টিতে ভোগা এক শিশুকে খাবার খাওয়াচ্ছেন ইয়েমেনের এক নারী, ৭ অগাস্ট ২০২১। (ফাইল ফটো)

জাতিসংঘ বৃহস্পতিবার জানিয়েছে যে, সংস্থাটি কেন্দ্রীয় জরুরি তহবিল (ইমারজেন্সি রেসপন্স ফান্ড) থেকে ১০ কোটি ডলার দিচ্ছে। সাতটি দেশে খাদ্যাভাবে থাকা লাখ লাখ মানুষের সহায়তায় এই অর্থ ব্যয় করা হবে। দেশগুলো হল দক্ষিণ সুদান, সোমালিয়া, সুদান, নাইজেরিয়া, কেনিয়া, ইথিওপিয়া এবং ইয়েমেন।

সশস্ত্র সংঘাত, খরা, এবং কোভিড-১৯ এর ফলে অর্থনৈতিক দুরবস্থার আরও অবনতি হওয়ায়, এই সাতটি দেশের লাখ লাখ মানুষ নিজের ও পরিবারের জন্য খাবার জোগাড় করতে পারছে না।

জাতিসংঘের অফিস ফর দ্য কোঅর্ডিনেশন অফ হিউম্যানিটেরিয়ান অ্যাফেয়ার্স (ওসিএইচএ) আরও বলেছে, ইউক্রেনে যুদ্ধের বিরূপ প্রভাব লাখ লাখ মানুষকে দুর্ভিক্ষের হুমকিতে ঠেলে দিবে।

ওসিএইচএ মুখপাত্র জ্যাঁ লার্কে ভয়েস অফ আমেরিকাকে বলেন যে, ইয়েমেন, দক্ষিণ সুদান, এবং সোমালিয়া ইতোমধ্যেই জাতিসংঘের মানদণ্ডে পঞ্চম পর্যায়ের জরুরি অবস্থায় রয়েছে; যা বিপর্যয়কর অনাহার বা দুর্ভিক্ষ।

তিনি জানান যে, নাইজেরিয়া, সুদান, কেনিয়া ও ইথিওপিয়াতেও লাখ লাখ মানুষ রয়েছেন, যারা বিপর্যয়কর পরিস্থিতি থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে আছেন। তিনি আরও বলেন, “এই মানুষগুলোকে চরম পর্যায়ে পৌঁছানো থেকে আমাদের এড়াতে হবে। কারণ, আমরা দেখেছি যে, ওই পর্যায়টিতে মানুষজন আক্ষরিক অর্থেই অনাহার ও রোগে মারা যায়। আমাদের সেটা এড়াতে হলে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে।”

ইউক্রেন ও রাশিয়া বিশ্বের “রুটির ঝুড়ি” হিসেবে পরিচিত। বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ গম ও বার্লি এই দুইটি দেশই সরবরাহ করে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলছে , ইউক্রেনের যুদ্ধ বিশ্বে ক্ষুধা বৃদ্ধি করবে।

তারা এও বলে যে, সংঘাতটি খাদ্য ও জ্বালানীর বাজারে সমস্যা সৃষ্টি করছে এবং খাদ্যের মূল্য ভোক্তাদের নাগালের বাইরে নিয়ে যাচ্ছে।


XS
SM
MD
LG