অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

জুনে মহাকাশ স্টেশনে পরবর্তী নভোচারী পাঠাবে চীন


ফাইল ছবি: চীনের সিনহুয়া নিউজ এজেন্সির এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে শেনঝু -১৩ মহাকাশ মিশনের ফিরতি ক্যাপসুলটি চীনের ডংফেং কেন্দ্রে অবতরণ করেছে। ১৬ এপ্রিল, ২০২২।

ছয় মাস কক্ষপথে থাকার পর সর্বশেষ নভোচারী এই সপ্তাহান্তে ফিরে আসার পরে চীন জুনে তার নতুন মহাকাশ স্টেশনে আরও তিনজন মহাকাশচারীকে পাঠাবে বলে রবিবার একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

শেনঝু ১৪ ক্যাপসুলের সদস্যরা ঘাঁটিতে দুটি মডিউল (যন্ত্রাংশ) যুক্ত করতে ছয় মাস তিয়ানগং–এ থাকবেন। চায়না ম্যানড স্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং অফিসের পরিচালক হাও চুন এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন।

চীনের উচ্চাভিলাষী মহাকাশ কর্মসূচি ২০০৩ সালে কক্ষপথে দেশটির প্রথম নভোচারী পাঠায়। ২০১৩ সালে রোবট রোভারগুলো চাঁদে এবং গত বছর মঙ্গলে অবতরণ করে। কর্মকর্তারা চাঁদে একটি সম্ভাব্য দল পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

তিয়াংগং বা স্বর্গীয় প্রাসাদের মূল মডিউলটি ২০২১ সালের এপ্রিলে কক্ষপথে স্থাপন করা হয়েছিল৷ এই বছর নির্মাণ শেষ করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল৷

ওয়েন্টিয়ান মডিউল জুলাই মাসে এবং মেংটিয়ান মডিউল অক্টোবরে চালু হবে, হাও বলেছেন।

শনিবার শেনঝু ১৩–এর সদস্যরা অভ্যন্তরীণ মঙ্গোলিয়ার উত্তরাঞ্চলের গোবি মরুভূমিতে অবতরণ করে।

প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পর চীনই তৃতীয় দেশ যারা মহাকাশে মহাকাশচারী পাঠিয়েছে। ২০১১ এবং ২০১৬ সালে উৎক্ষেপিত স্টেশনগুলোর পর তিয়ানগং হলো চীনের তৃতীয় মহাকাশ স্টেশন।

চীনের সরকার ২০২০ সালে ঘোষণা করেছিল যে, দেশটির প্রথম পুনঃব্যবহারযোগ্য মহাকাশযান একটি পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের পরে অবতরণ করেছে। তবে এর স্বপক্ষে কোনো ছবি বা বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের অস্বস্তির কারণে চীনকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অস্বস্তির কারণ হলো চীনের মহাকাশ কর্মসূচি ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির সামরিক শাখা পিপলস লিবারেশন আর্মি মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

XS
SM
MD
LG