অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধ জীবন রক্ষাকারী টিকাদানকে বাধাগ্রস্ত করছে: ডাব্লিউএইচও


গত বছর অ্যান্টি-করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন নিচ্ছেন ইউক্রেনের মরশিনে একজন বাসিন্দা। ১৬ নভেম্বর, ২০২১। (ফাইল)।

জেনেভা — বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, ইউক্রেনের যুদ্ধ ইউক্রেনে জীবন রক্ষাকারী টিকাদানকে বাধাগ্রস্ত করেছে। ফলে টিকার মাধ্যেম প্রতিরোধযোগ্য রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দেশটির অগ্রগতিকে কয়েক বছর পিছিয়ে দিয়েছে।

এই সপ্তাহকে বলা হচ্ছে বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহ। বিশ্বব্যাপী অগণিত মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে বিস্ময়কর রকম উদ্ভাবিত টিকাগুলো। টিকাদান সপ্তাহ উপলক্ষ্যে ডাব্লিউএইচও মুখপাত্র ভানু ভাটনগর বেলারুশের সীমান্তের কাছে ইউক্রেনীয় প্রদেশ রিভনে ওব্লাস্টের একটি টিকা কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে টিকা দেওয়ার বিষয়ে কথা বলেন।

একটি কারিগরি কলেজে স্থাপিত কেন্দ্রটি প্রায় ১০০ জন অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষের বাড়ি হিসেবে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। ভাটনাগর সেখানে বলেন, তিনি ইউক্রেনীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রুটিন বাস্তবায়ন করতে এবং শিশু, কিশোর এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকাদানের কার্যক্রমকে সমর্থন করতে এখানে এসেছেন।

তিনি বলেন, “... অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত লোকেরা ঝুঁকিপূর্ণ। তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সংকেটর পর্যায়ে রয়েছে এবং তাদের অনেকেরই স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ নেই”।

ভাটনগর আরও বলেন, যুদ্ধের সময় স্বাস্থ্য সেবার প্রয়োজন বন্ধ হয়ে যায় না এবং টিকাদান কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে মহামারীর সময়ে।

তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যবশত এই অগ্রগতি লাইনচ্যুত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঠিক আগে সে দেশে পোলিওর প্রাদুর্ভাব ছিল। পোলিও টিকার কার্যক্রম যা প্রথম ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয়েছিল সংঘর্ষের কারণে তাও ব্যাহত হয়।

ডাব্লিউএইচও’র মুখপাত্র বলেছেন, যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও কোভিড-১৯ ‘এর টিকা প্রদানের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তবে, দেশটির মাত্র ৪০ শতাংশে এখন পর্যন্ত এই কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়েছে, যা কীনা বাকি ইউরোপীয় অঞ্চলের থেকে তুলনামূলকভাবে অনেক কম।

সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, এ পর্যন্ত করোনভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ, এর মধ্যে ১,০৮,০০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু রয়েছে।

XS
SM
MD
LG