অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

দিল্লি বনাম ডব্লিউএইচওঃ ভারতে কোভিডে মৃত্যুর সংখ্যা আসলে কত?

ভারতের জম্মুতে স্বাস্থ্যকর্মী এবং আত্নীয়রা কোভিড-১৯ আক্রান্ত মৃতদেহ বহনকৃত একটি কাসকেট সরিয়ে নিচ্ছেন। ২৫ এপ্রিল, ২০২২। ফাইল ছবি।
ভারতের জম্মুতে স্বাস্থ্যকর্মী এবং আত্নীয়রা কোভিড-১৯ আক্রান্ত মৃতদেহ বহনকৃত একটি কাসকেট সরিয়ে নিচ্ছেন। ২৫ এপ্রিল, ২০২২। ফাইল ছবি।

ভারতে কোভিড-১৯ এ মৃত্যুর সংখ্যা সরকারি গণনার চেয়ে ১০ গুণ বেশি যা বিশ্বে সর্বোচ্চ- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি নতুন প্রতিবেদনে প্রকাশিত এ তথ্য প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত সরকার।

কোভিডের কারণে ভারতে কতজন প্রাণ হারিয়েছে তা একটি উত্তপ্ত তর্কের বিষয়। ডব্লিউএইচও-র সমীক্ষায় ২০২১ সালের শেষভাগে ভারতে কোভিড-১৯ এ মৃত্যুর সংখ্যা ৪৭ লাখে গিয়ে দাঁড়িয়েছে যেখানে সরকারি হিসেবে মৃতের সংখ্যা ৪ লাখ ৮১ হাজার।

কিন্তু সরকার ডব্লিউএইচও-র ব্যবহৃত পদ্ধতির নিন্দা জানিয়েছে এবং বলেছে, ডব্লিউএইচও “ভারতের উদ্বেগের পর্যাপ্ত সমাধান না করে” বা ভারতের জমা দেয়া ‘প্রমাণিত’ তথ্য বিবেচনা না করে অতিরিক্ত মৃত্যুর আনুমানিক সংখ্যা প্রকাশ করেছে।

বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বলেছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই হিসেবকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা উচিত কারণ ডব্লিউএইচও-র সংখ্যা ভারতের স্বতন্ত্র অনুমানের সাথে কমবেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

ডব্লিউএইচও-র প্রতিবেদন অনুসারে ভারত ছাড়া অন্য দেশেও মৃতের সংখ্যাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইন্দোনেশিয়া এবং মিশরের মতো দেশেও একই সমস্যা ছিল।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, কোভিড-১৯ এ মৃত্যুর গণনা নিয়ে ভারতের সমস্যাটির জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা আংশিকভাবে দায়ী। তা হলো ভারতে অনেক মৃত্যুর কারণ প্রায় সময়ই সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ না করা । উদাহরণস্বরূপ, সংক্রমণের সংস্পর্শে আসার পরে শ্বাসকষ্টের ফলে হওয়া মৃত্যুর জন্য করোনা ভাইরাস দায়ী না-ও করা হতে পারে।

This item is part of
XS
SM
MD
LG