অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আবুধাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সমবেদনা জানালেন হ্যারিস ও ব্লিংকেন


সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট খলিফা বিন জায়েদ-এর মৃত্যুতে সমবেদনা জানাতে আবুধাবি এসে পৌঁছাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন, ১৬ মে ২০২২।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট খলিফা বিন জায়েদ-এর মৃত্যুতে সমবেদনা জানাতে আবুধাবি এসে পৌঁছাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন, ১৬ মে ২০২২।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্প্রতি প্রয়াত প্রেসিডেন্ট, শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান-এর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করতে আবুধাবি গিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন । ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিসের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্রের এক উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদলের সদস্য তিনি। খলিফা শুক্রবার মারা যান।

প্রয়াত প্রেসিডেন্টের ভাই, শেখ মোহাম্মেদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সাথে সাক্ষাতের কথা রয়েছে হ্যারিস এবং ব্লিংকেনের। মোহাম্মেদ দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট এবং তিনি আগে থেকেই মধ্যপ্রাচ্য ও তার বাইরে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি।

এখন পর্যন্ত তেলসমৃদ্ধ ঐ দেশে বাইডেন প্রশাসনের এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ের সফর। ঐ অঞ্চলে আর্থিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু ইউএই। এছাড়াও প্রতিনিধিদলে রয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন, সিআইএ-র পরিচালক উইলিয়াম বার্নস এবং জলবায়ু বিষয়ক প্রতিনিধি জন কেরি।

সফরে রওয়ানা হওয়ার আগে, ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যারিস বলেন যে, তিনি প্রেসিডেন্ট বাইডেনের পক্ষে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে সেখানে সফর করছেন। বিশ্লেষকরা সফরটিকে ইউএই-র সাথে আমেরিকার টানাপোড়েন সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সন্ত্রাসী সংগঠনের উপাধি তুলে নেওয়ায়, বাইডেন প্রশাসনের উপর মনক্ষুণ্ণ হয়ে রয়েছে আবুধাবি। হুথি বিদ্রোহীরা ইউএই এবং সৌদি আরবের উপর ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইরানের আন্তর্জাতিক পরমাণুবিষয়ক চুক্তি পুনরুদ্ধারের বাইডেন প্রশাসনের চেষ্টারও বিরোধিতা করছে ইউএই এবং অন্যান্য আরব দেশগুলো। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালে ঐ চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেয়।

অপরদিকে, ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পর থেকেই ওয়াশিংটন ইউএই এবং সৌদি আরবের প্রতি আরও তেল উত্তোলনের অনুরোধ করে আসছে, যাতে করে জ্বালানী তেলের আকাশচুম্বী দাম কমানো সম্ভব হয় এবং জ্বালানীর বাজারে স্থিতিশীলতার উন্নয়ন হয়। রাশিয়ার তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে নিজেদের সরিয়ে আনতে চায় ইউরোপ। তবে, সৌদি আরব এবং ইউএই, যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবি নাকচ করে দিয়েছে, কারণ তারা রাশিয়ার সাথে ভাল সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।

XS
SM
MD
LG