অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

উত্তর কোরিয়ার হুমকির মুখে সামরিক উপস্থিতি দৃঢ় করার আভাস দিলেন বাইডেন ও ইয়ুন


দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সোওল এ কোরিয়া জাতীয় যাদুঘরে এক রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে যোগ দিতে সেখানে পৌঁছলে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়ুন সুক ইয়োলকে গার্ড অফ অনার এর মাধ্যমে স্বাগত জানানো হচ্ছে, ২১ মে ২০২২।

সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর কোরিয়ার ধারাবাহিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা এবং সম্ভাব্য পারমাণবিক পরীক্ষার প্রেক্ষাপটে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়ুন সুক ইয়োল সামরিক উপস্থিতি আরও দৃঢ় করার ব্যাপারে ইঙ্গিত করেছেন।

শনিবার সোওল-এ এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বাইডেন বলেন, “আমাদের ঘনিষ্ঠতা জোরদার করা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় একসাথে কাজ করার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ইয়ুন ও আমি আজ অঙ্গীকার করেছি। যার মধ্যে আমাদের প্রতিরোধ সক্ষমতা জোরদার করা এবং কোরিয়ো উপদ্বীপকে পূর্ণরূপে পরমাণু অস্ত্রমুক্তকরণ করার মাধ্যমে, কোরিয়া গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রের (উত্তর কোরিয়া) হুমকি মোকাবেলার বিষয়টিও রয়েছে।” দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে ছয়দিনের সফরের প্রথম অংশে দক্ষিণ কোরিয়া সফর করছেন বাইডেন।

দোভাষীর মাধ্যমে ইয়ুন বলেন, “কোরিয়া গণপ্রজাতন্ত্রের (দক্ষিণ কোরিয়া) প্রতিরক্ষা এবং উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারিত প্রতিরোধ সক্ষমতার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের ইস্পাতদৃঢ় অঙ্গীকারের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট বাইডেন আবারও আশ্বস্ত করেছেন।” সম্প্রসারিত প্রতিরোধ বলতে বোঝায় যে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের মিত্রদের প্রতিরক্ষায় নিজেদের সামরিক সক্ষমতার সবটাই ব্যবহার করবে। এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক, প্রচলিত অস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ।

সম্মেলনের পর প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী, উভয় প্রেসিডেন্ট “কোরিয়া উপদ্বীপ ও তার আশপাশে যৌথ সামরিক মহড়া ও প্রশিক্ষণের পরিধি ও মাত্রা বৃদ্ধি করার বিষয়ে” আলোচনা আরম্ভ করতে সম্মত হয়েছেন। একই সাথে, উত্তর কোরিয়ার “অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী কর্মকাণ্ডের” প্রেক্ষাপটে, “প্রতিরোধ জোরদার করার জন্য নতুন বা অতিরিক্ত পদক্ষেপ চিহ্নিত করতেও” অঙ্গীকার করেছেন দুই প্রেসিডেন্ট।


XS
SM
MD
LG