অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের নেটো আবেদনে বাধাদান অব্যাহত রেখেছেন এরদোয়ান


২৪ মার্চ ২০২২ তারিখে ব্রাসেলসে নেটোর প্রধান কার্যালয়ে এক সম্মেলনের পর এক গণমাধ্যম সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর থেকেই তার নিন্দা জানিয়ে আসছে তুরস্ক। (ফাইল ফটো)

সুইডেন এবং ফিনল্যান্ডকে নেটোতে অন্তর্ভুক্ত করার প্রচেষ্টা স্থবির হয়ে রয়েছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান জোরালোভাবে জানিয়েছেন যে, নেটো জোট সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে নিজেদের ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করবে তুরস্ক।

এ বিষয়ে করা প্রকাশ্য মন্তব্যে এরদোয়ান দাবি করেছেন যে, তার সরকারের বিরোধিতাকারী কিছু কুর্দি ভিন্নমতাবলম্বী গোষ্ঠীকে সুইডেনে কার্যক্রম পরিচালনা করতে দিয়ে, সুইডেনের সরকার তুরস্কের জাতীয় নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ২০১৯ সালে সিরিয়ায় তুরস্কের সৈন্য পাঠানোর পর, তার সরকারের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় দেশগুলোর জারি করা অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার বিষয়েও নিজের হতাশা প্রকাশ করেন এরদোয়ান।

নেটো জোটের সম্প্রসারণ বিষয়ে দ্বন্দ্ব, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের জন্য এক রাজনৈতিক বোঝা হয়ে উঠতে পারে। প্রেসিডেন্ট বাইডেন সুইডেন এবং ফিনল্যান্ডকে নেটোতে যোগদানের আবেদন করতে উৎসাহ দিয়ে ঐ দুই দেশের নেতাকে ওয়াশিংটনে অভ্যর্থনা জানিয়ে প্রকাশ্যেই বলেছিলেন যে তিনি আশা করেন ঐ দুই দেশের আবেদন দ্রুতই মঞ্জুর করা হবে।

তবে, তার পর থেকে প্রশাসন এই বিষয়ের আলোচনা থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করে আসছে।

মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র, নেড প্রাইস বলেন, “আমরা নেটো সদস্যদের সাথে আলোচনা অব্যাহত রাখব, আমাদের মিত্রদের সাথে, আমাদের মিত্র তুরস্কের সাথে, আমাদের সহযোগী ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের সাথে, আমাদের ধারণা যারা দ্রুতই আমাদের মিত্র হিসেবেও বিবেচিত হবে। তাই আমরা সেই আলোচনা চালিয়ে যাব। তবে শেষমেশ এটা যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের মধ্যকার কোন বিষয় নয়। এটা ঐ তিন দেশের মধ্যকার বিষয়।”

তবে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, বাস্তবসম্মতভাবে নেটোর গঠন সম্পর্কে কোন আলোচনাই যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়া হয় না। যুক্তরাষ্ট্রই নেটোর সবচেয়ে বড় সদস্য দেশ।

XS
SM
MD
LG