অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

সমলিঙ্গের বিয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা সাংবিধানিক, বলছে জাপানের আদালত

উত্তর জাপানের সাপ্পোরো, হোক্কাইডোতে, সাপোরো জেলা আদালতের বাইরে, একটি জেলা আদালত সমকামী বিবাহের বৈধতার বিষয়ে রায় দেওয়ার পরে বাদীরা একে অপরের হাত ধরে। ১৭ মার্চ, ২০২১।
উত্তর জাপানের সাপ্পোরো, হোক্কাইডোতে, সাপোরো জেলা আদালতের বাইরে, একটি জেলা আদালত সমকামী বিবাহের বৈধতার বিষয়ে রায় দেওয়ার পরে বাদীরা একে অপরের হাত ধরে। ১৭ মার্চ, ২০২১।

জাপানের এক আদালত সোমবার রায় দিয়েছে, দেশটির সমকামী বিবাহের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সংবিধান লঙ্ঘন করে না। এছাড়া আদালত তিনটি দম্পতির ক্ষতিপূরণের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে, যারা বলেছিল যে তাদের অবাধ মিলন ও সমতার অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে।

ওসাকা আদালত তার রায়ে, বৈষম্যের সম্মুখীন হওয়ার জন্য দম্পতি প্রতি ১ মিলিয়ন ইয়েন বা ৭,৪০০ ডলার ক্ষতিপূরণের বাদীর দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।

ওসাকা জেলা আদালতের রায়টি এই বিষয়ে দ্বিতীয় সিদ্ধান্ত, এবং সাপোরো আদালতের দেয়া গত বছরের একটি রায়ের সাথে একমত নয়, যে রায়ে সমকামী বিবাহের উপর নিষেধাজ্ঞাকে অসাংবিধানিক বলে মনে করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে এটি স্পষ্ট বোঝায় যে জাপানে ইস্যুটি কতটা বিভক্ত রয়ে গেছে। বিশ্বের সাতটি প্রধান শিল্পোন্নত দেশগুলির মধ্যে জাপান একমাত্র সদস্য যারা সমকামী মিলনকে স্বীকৃতি দেয় না।

বাদী - দুটি পুরুষ দম্পতি এবং এক মহিলা দম্পতি – ১৪ সমকামী দম্পতির মধ্যে ছিলেন, যারা ২০১৯ সালে স্বাধীনভাবে মিলন এবং সমতার অধিকার লঙ্ঘনের জন্য পাঁচটি বড় শহর - সাপোরো, টোকিও, নাগোয়া, ফুকুওকা এবং ওসাকা -তে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন।

জাপানে যৌন বৈচিত্র্যের জন্য সমর্থন ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু সমকামী, উভকামী এবং ট্রান্সজেন্ডারদের জন্য আইনি সুরক্ষার এখনও অভাব রয়েছে। এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের লোকেরা প্রায়ই স্কুলে, কর্মক্ষেত্রে এবং বাড়িতে বৈষম্যের সম্মুখীন হয়, যার ফলে অনেকেই তাদের যৌন পরিচয় গোপন করে।

অধিকার গোষ্ঠীগুলি গত গ্রীষ্মের টোকিও অলিম্পিকের আগে একটি সমতা আইন পাসের জন্য সরকারকে চাপ দিয়েছিল, যখন আন্তর্জাতিক মনোযোগ জাপানের দিকে নিবদ্ধ ছিল। কিন্তু বিলটি রক্ষণশীল শাসক দল বাতিল করে দিয়েছিল।

This item is part of
XS
SM
MD
LG