অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

স্বদেশে নির্মিত রকেটে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করলো দক্ষিণ কোরিয়া


কোরিয়া অ্যারোস্পেস রিসার্চ ইন্সটিটিউটের দেয়া এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, দেশে নির্মিত মহাকাশ রকেট নুরি দক্ষিণ কোরিয়ার নারো স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপিত হচ্ছে। ২১ জুন, ২০২২। (ছবিঃ কোরিয়া অ্যারোস্পেস রিসার্চ ইন্সটিটিউটের মাধ্যমে এপি)।
কোরিয়া অ্যারোস্পেস রিসার্চ ইন্সটিটিউটের দেয়া এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, দেশে নির্মিত মহাকাশ রকেট নুরি দক্ষিণ কোরিয়ার নারো স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপিত হচ্ছে। ২১ জুন, ২০২২। (ছবিঃ কোরিয়া অ্যারোস্পেস রিসার্চ ইন্সটিটিউটের মাধ্যমে এপি)।

দক্ষিণ কোরিয়া নিজ দেশে নির্মিত একটি মহাকাশ রকেট ব্যবহার করে কক্ষপথে উপগ্রহ স্থাপনের দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় সফল হয়েছে । মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার কর্তৃপক্ষ এ খবর জানায়। স্বাধীনভাবে মহাকাশ উন্নয়নের জন্য দেশটির উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার এটি একটি মূল পদক্ষেপ।

মঙ্গলবারের সফল উৎক্ষেপণের ফলে দক্ষিণ কোরিয়া তার নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করে মহাকাশে উপগ্রহ স্থাপনকারী দশম দেশ হয়ে উঠেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেছেন, নুরি রকেটের কোনো সামরিক ব্যবহার নেই। উৎক্ষেপণটি প্রমাণ করে দক্ষিণ কোরিয়া আরও বড় রকেট তৈরি করতে পারে এবং গুপ্তচর উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করতে পারে যা তার পারমাণবিক অস্ত্রধারী প্রতিবেশী উত্তর কোরিয়াসহ দেশটির ওপর আগত হুমকি পর্যবেক্ষণ করতে পারে।

যদিও দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বের দশম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ, তবে এর মহাকাশ কর্মসূচি অন্যান্য ধনী দেশের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। নুরি, কোরিয়ান ভাষায় যার অর্থ “বিশ্ব”, সেই ব্যবধান কমাতে সাহায্য করে।

বিশ্লেষকরা বলেছেন, স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের অভিজ্ঞতাও অস্ত্রের উন্নয়নে সহায়তা করতে পারে, যেহেতু মহাকাশ উৎক্ষেপণ যান এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনেক অভিন্ন বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়া বর্তমানে উত্তর কোরিয়াকে পর্যবেক্ষণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গুপ্তচর উপগ্রহের ওপর নির্ভর করে।

উত্তর কোরিয়া বেশ কয়েকটি উৎক্ষেপণের চেষ্টাও করেছে। মার্চ মাসে উত্তর কোরিয়া ইঙ্গিত দেয় যে, তারা একটি “সামরিক পুনরুদ্ধার স্যাটেলাইট” উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

অবৈধ পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির কারণে উত্তর কোরিয়াকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কয়েক দফা প্রস্তাবের অধীনে সকল প্রকার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কার্যকলাপ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

XS
SM
MD
LG