অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

সিলেটের কুশিয়ারা অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি


সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি

গত ৪৮ ঘণ্টায় কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সিলেটের কিছু অংশে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, শুক্রবার (২৪ জুন) সকালে কুশিয়ারা নদীর পানি বিভিন্ন পয়েন্টে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

কুশিয়ারার পানি বাড়ায়, জকিগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, ওসমানীনগর, বিশ্বনাথ, দক্ষিণ সুরমা, মৌলভীবাজারের বড়লেখা, কুলাউড়া, রাজনগর, জুড়ি, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরসহ নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

অন্যদিকে, সিলেট নগরীসহ জেলার অনেক এলাকায় বন্যার পানি নেমে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। নগরীর ভেতর দিয়ে প্রবাহিত সুরমা নদীর পানি কমলেও, কুশিয়ারা সংলগ্ন এলাকাগুলোতে বাড়ছে পানি।

ভারত থেকে প্রবাহিত নদ-নদীর প্রবাহ ও মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জি ও সিলেটে ভারী বৃষ্টির কারণে এ অঞ্চলে বন্যার এমন ভয়াল রূপ। বন্যায় ৫০ লাখ মানুষ পানিবন্দী ছিলেন।

গত চারদিন ধরে ধীরে পানি কমতে শুরু করেছে। সুরমা নদীর পানি কমলেও, এখনও বিপৎসীমার ওপর দিয়েই প্রবাহিত হচ্ছে। সুরমা নদীর পানি কমতে থাকায়, সিলেট-সুনামগঞ্জ ও সিলেট-ভোলাগঞ্জ মহাসড়ক থেকে পানি নেমেছে। শুরু হয়েছে যান চলাচল; তবে, সড়ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কে যানবাহন চলছে ঝুঁকি নিয়ে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, “সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোয় বিশুদ্ধ খাবার পানি, শুকনো খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়া সরকারিভাবে বরাদ্দ পাওয়া ত্রাণসামগ্রী বিভিন্ন ওয়ার্ডে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।

এদিকে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বন্যার পানির স্রোতে ভেসে গেছেন সানু মিয়া (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ। শুক্রবার (২৪ জুন) সকাল ১০টা পর্যন্ত তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, বিষয়টি শুনেছি। পুলিশ উদ্ধার অভিযানে কাজ করছে।

XS
SM
MD
LG