অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইরান সফরে “উত্তেজনা কমাতে” সচেষ্ট ইইউ এর সর্বোচ্চ কূটনীতিবিদ


ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান, ইয়োসেপ বোরেল এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আবদোল্লাহিয়ান, তেহরান, ইরান.জুন ২,২০২২

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান, ইয়োসেপ বোরেল শুক্রবার রাতে তেহরানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। ইরানের পরামাণু বিষয়ক ২০১৫ সালের চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করতে থমকে থাকা আলোচনায়, তার এই সফর নতুন করে প্রাণের সঞ্চার করতে পারে।

বোরেলের সেখানে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির-আবদোল্লাহিয়ান ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে বলে, পররাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র সাইদ খাতিবজাদেহ জানান।

ইইউ এক বিবৃতির মাধ্যমে বোরেলের দুইদিনব্যাপী এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এক টুইট বার্তায় বোরেল লেখেন, “চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে ফিরে যাওয়া ও বর্তমানের উত্তেজনা হ্রাসের জন্য কূটনীতিই একমাত্র পন্থা।”

ইরান এখনও বিশ্বাস করে যে আলোচনা সফল হতে পারে – গত সপ্তাহে আমির-আবদোল্লাহিয়ান এমন ঘোষণা দেওয়ার পরই, বোরেল পূর্বে অঘোষিত এই সফরটি করছেন।

২০১৮ সাল থেকে চুক্তিটি ‍মৃতপ্রায় অবস্থায় ঝুলে রয়েছে। সে সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এককভাবে চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন এবং ইরানের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা আরম্ভ করেন।

তবে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন চুক্তিতে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করে আসছে। তারা বলছে যে, এই ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ক্ষেত্রে এটিই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা।

গত বছরের এপ্রিলে ভিয়েনায় আরম্ভ হওয়া আলোচনার উদ্দেশ্য ছিল, যুক্তরাষ্ট্রকে চুক্তিতে ফিরিয়ে নিয়ে আসা। এর মধ্যে ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়ার বিষয়ও রয়েছে, যার বিপরীতে, ইরান তাদের পরমাণু বিষয়ক অঙ্গীকারগুলো সম্পূর্ণরূপে মেনে চলবে।

তবে, মার্চ মাসে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে মতানৈক্যের কারণে আলোচনা থমকে যায়। এর উল্লেখযোগ্য একটি কারণ হল, যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী তালিকা থেকে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারী গার্ড কোরের নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার ইরানের দাবি।

আমির-আবদোল্লাহিয়ান বৃহস্পতিবার বলেন যে, একটি সমঝোতায় পৌঁছনোর ব্যাপারে ইরান একান্তরূপে ইচ্ছুক।


XS
SM
MD
LG