বৃহস্পতিবার প্রাক্তন স্বৈরশাসক ফার্দিনান্দ মার্কোসের পুত্র ফার্দিনান্দ ‘বংবং’ মার্কোস জুনিয়র ফিলিপাইনের ১৭ তম প্রেসিডেন্ট পদে আসীন হয়েছেন। জনগণের অভ্যুত্থানে তার পিতার পতনের ৩৬ বছর পর ক্ষমতায় ফিরে আসার তার পরিবারের লক্ষ্য সফলভাবে পূরণ করেছেন।
৩ কোটি ১০ লাখেরও বেশি ভোট পেয়ে বংবং (জনপ্রিয় এ নামে তিনি পরিচিত) মে মাসে দেশের সবচেয়ে পরিণতিমূলক নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী হন।
সমালোচকরা বলছেন, বংবং-এর বিজয়ের জন্য তার পরিবারের কয়েক দশক ধরে ঐতিহাসিক সংশোধনবাদের প্রচেষ্টা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক অপ-তথ্য প্রচারকে দায়ী করা যেতে পারে।
ফিলিপাইনের ক্ষমতার আসন এবং প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন মালাকানাং প্রাসাদে ফিরে যাওয়ার জন্য মার্কোস তার পরিবারকে নেতৃত্ব দেন। ৩ দশক আগে বিক্ষুব্ধ ফিলিপিনো জনতার হাত থেকে বাঁচতে তারা এ স্থান ছেড়ে দিয়েছিলেন।
অনুমান করা হয় যে, মার্কোস পরিবার ফিলিপাইনে তাদের ২১ বছরের শাসনের সময় জনগণের কোষাগার থেকে ১০ হাজার কোটি ডলার আত্মসাত করেছিল। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পরে নির্বাচিত প্রশাসনগুলো এর মাত্র অর্ধেক পুনরুদ্ধার করে।
সে দেশের কিছু নাগরিক উদ্বিগ্ন যে, ফিলিপাইনের নিয়ন্ত্রণ পেয়ে মার্কোস পরিবার এখন বিদেশী একাউন্টে লুকিয়ে রাখা নগদ অর্থ এবং সম্পদ ছাড়িয়ে আনতে ক্ষমতার অপব্যবহার করবে। দ্বিতীয় মার্কোসের শাসনামল প্রথম শাসনামলের মতোই নৃশংস হবে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।