অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও গৃহকর্ম পেশা হিসেবে স্বীকৃত নয়: সংলাপে বক্তাদের অভিমত


‘গৃহকর্মী শিশুর অধিকার ও সুরক্ষা: আইনের প্রয়োজনীয়তা’ সংলাপ
বাংলাদেশের গৃহকর্মী শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করতে, সমন্বিত উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আইনপ্রণেতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। সোমবার (৪ জুলাই) একটি বেসরকারি সংগঠন আয়োজিত সংলাপে তারা এ আহবান জনান। তারা বলেন, “নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও, গৃহকর্ম এখনও পেশা হিসেবে স্বীকৃত নয়। তাই, গৃহকর্মীরা দমন-পীড়নের শিকার হলেও ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না।”
অলাভজনক সংগঠন, অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (এএসডি), ঢাকার পার্লামেন্ট মেম্বারস ক্লাব মিলনায়তনে ‘গৃহকর্মী শিশুর অধিকার ও সুরক্ষা: আইনের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক সংলাপের আয়োজন করে।

সংলাপে বক্তারা বলেন, “সরকারের একার পক্ষে শিশুশ্রম বন্ধ করা বা গৃহকর্মী শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। বিষয়টি মোকাবেলায়, সকল সুবিধাভোগীদের এগিয়ে আসা উচিত।”

বক্তারা, বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দূর করতে, গৃহকর্মীদের সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি-২০১৫-এর পরামর্শ অনুযায়ী, একটি পূর্ণাঙ্গ আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন।

তারা বলেন, “সরকার ২০১৫ সালে গৃহকর্মীদের সুরক্ষা ও কল্যাণের জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করলেও, গৃহকর্ম এখনও পেশা হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি। ফলে গৃহকর্মীরা দমন-পীড়নের শিকার হলেও, ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না।”

সংলাপে শিশু অধিকার বিষয়ক সংসদীয় ককাসের চেয়ারম্যান শামসুল হক টুকু বলেন, “সরকার গৃহকর্মীর অধিকার রক্ষায় একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে। শিশুদের অধিকার রক্ষায় পৃথক অধিদপ্তর গঠনের প্রস্তাবও চূড়ান্ত করা হয়েছে। এরই মধ্যে নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। একটি আইন প্রণয়ন করা হবে এবং শিশুদের অধিকার রক্ষার জন্য একটি পৃথক অধিদপ্তর গঠন করা এখন সময়ের ব্যাপার।”

সংলাপে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য রেজাউল করিম, ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, সৈয়দা রুবিনা আক্তার ও গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার।

এএসডির প্রকল্প পরিচালক হামিদুর রহমান সংলাপে সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য দেন সংসদ সচিবালয়ের পরিচালক লাবণ্য আহমেদ, শিশু অধিকার ফোরামের পরিচালক আবদুস শহীদ মাহমুদ এবং আইএলও প্রতিনিধি সৈয়দা মুনিরা সুলতানা।

XS
SM
MD
LG