অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ঈদযাত্রার টিকিট নিতে কমলাপুর রেলস্টেশনে ভিড়, কেউ মানছে না স্বাস্থ্যবিধি


কমলাপুর রেল ষ্টেশনে টিকিটের জন্য ভিড়

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই, ঈদ-উল-আজহার আগে ট্রেনের টিকিট কাটতে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ভিড় করছে। এর ফলে সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকছে না। কেউ মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি।

ঈদের আর মাত্র চার দিন বাকি থাকায়, মঙ্গলবার (৫ জুলাই) কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে মাস্ক ছাড়াই লোকজন টিকিট কাউন্টারের সামনে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।

আগামী ১০ জুলাই বাংলাদেশে ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে, ১ জুলাই থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

টিকিটের জন্য যাত্রীরা ঘন্টার পর ঘন্টা দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করার সময় সামাজিক দুরত্ব মানছেন না কেউ। প্রত্যেকে উদ্বিগ্ন হয়ে অপেক্ষা করছেন, কখন তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত টিকিট পাবেন।

ডিরেক্টরেট জেনারেল অব হেলথ সার্ভিসের (ডিজিএইচএস) তথ্য অনুসারে বাংলাদেশে সোমবার (৪ জুলাই) করোনা আক্রান্ত হয়ে গত চার মাসের মধ্যে একদিনে ১২জন মারা গেছেন। এসময় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে দুই হাজার ২৮৫ জন। এসময় দৈনিক শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৫১ শতাংশে পৌঁছেছে।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় মহামারীর চতুর্থ ঢেউ শুরু হয়েছে। তবুও মানুষ সামাজিক দূরত্ব মানতে এবং করোনা সংক্রমণ থেকে নিরাপদ থাকতে স্বাস্থ্যবিধি মানছে না।

বিশেষজ্ঞরা জানায়, ওমিক্রনের দুটি সাব-ভেরিয়েন্ট বিএ.৪ ওবিএ.৫ সম্ভবত বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও সংক্রমণের নতুন ঢেউয়ের সূচনা করছে।

ডিজিএইচএসের মুখপাত্র ডা. রোবেদ আমিন, আইইডিসিআর উপদেষ্টা ডা. এম মুশতুক হোসেন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সাবেক আঞ্চলিক উপদেষ্টা মুজাহেরুল হক এ কথা জানান।

রোবেদ আমিন বলেন, “বাংলাদেশ সরকার ভাইরাস থেকে নিরাপদ থাকার জন্য মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মানা ও অন্যান্য স্বাস্থ্য নির্দেশিকা শিথিল করেনি। কিন্তু মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। তাই ভাইরাসের সংক্রমণ আবারও বাড়ছে।”

XS
SM
MD
LG