অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়া যৌথ মহড়া চলাকালীন উত্তর কোরিয়া সম্ভবত গোলা নিক্ষেপ করেছে


দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের প্রদত্ত এই ছবিতে, এক যৌথ মহড়া চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বিমানবাহিনীর জঙ্গীবিমানগুলোকে সুসজ্জিতভাবে উড্ডয়ন করতে দেখা যাচ্ছে, ৭ জুন ২০২২। (ফাইল ফটো)

দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে যে, রবিবার উত্তর কোরিয়া আর্টিলারির গোলাবর্ষণের মহড়া করেছে বলে আপাতদৃষ্টিতে মনে হয়েছে। যৌথ মহড়ার উদ্দেশে দক্ষিণ কোরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের জঙ্গীবিমান মোতায়েনের কয়েকদিন পরই এমন ঘটনা ঘটল।

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ এক বিবৃতিতে জানায় যে, তারা রবিবার দুপুরে একাধিক নিক্ষিপ্ত বস্তুর গতিপথ সনাক্ত করে, যেগুলো উত্তর কোরিয়ার আর্টিলারি বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাতে বলা হয় যে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মিলে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী কঠোর প্রস্তুতি বজায় রেখেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের দফতর বলে যে, সন্দেহভাজন ঐ গোলা উত্তর কোরিয়ার পশ্চিম উপকূল থেকে নিক্ষেপ করা হয়েছে। তারা বলে, প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক পরিচালক, কিম সাং-হান দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন এবং তার দফতর উত্তর কোরিয়ার আরও সম্ভাব্য অতিরিক্ত কোন উৎক্ষেপণের বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার এইলসেন বিমানঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ছয়টি এফ-থার্টি ফাইভ বিমান দক্ষিণ কোরিয়ায় এসে পৌঁছায়। দক্ষিণ কোরিয়ার জঙ্গীবিমানের সাথে যৌথ প্রশিক্ষণ মহড়ায় অংশ নিতে, গত প্রায় সাড়ে চার বছরের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের এটিই এমন প্রথম সাময়িক মোতায়েন।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বলে যে, জেট বিমানগুলো মোতায়েনের উদ্দেশ্য হল, এই দুই মিত্রদেশের যৌথ প্রতিরক্ষা মনোভাব এবং যে কোন বহিঃশক্তির সম্ভাব্য আগ্রাসনের প্রতি জোরালো প্রতিরোধ প্রদর্শন করা। একই সাথে এই দুই বিমানবাহিনীর একসাথে অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধিও একটি উদ্দেশ্য। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানগুলোর ১০ দিনের জন্য নির্ধারিত এই প্রশিক্ষণ মিশন চলাকালীন সময়ে দক্ষিণ কোরিয়া ও আশপাশের জলসীমায় উড্ডয়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

XS
SM
MD
LG