শোকাহত জাপানিরা মঙ্গলবার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে-কে শেষ বিদায় জানিয়েছেন।
অসংখ্যা সাধারণ মানুষ টোকিওর জোজোজি মন্দিরের বাইরে আবেকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ফুল দিতে সমবেত হন। গত শুক্রবার পশ্চিমের শহর নারাতে একটি প্রচার সমাবেশের সময় আবেকে গুলি করে হত্যা করা হয়। মন্দিরের সামনে প্রার্থনার সময় অনেকেই কেঁদে ফেলেছিলেন।
৬৭ বছর বয়সী আবের জন্য জোজোজি মন্দির ছিল একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানের স্থান যা শুধুমাত্র তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। তারপরে আবের কফিনটি মন্দির থেকে সরানো হয় এবং টোকিওর কেন্দ্রস্থল থেকে কিরিগায়া ফিউনারেল হল পর্যন্ত একটি দীর্ঘ শোভাযাত্রার জন্য একটি শবযানে রাখা হয়। সেখানে পথে হাজার হাজার বাসিন্দা তাকে চূড়ান্ত বিদায় জানাতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন।
আবের হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন বন্দুকধারী ৪১ বছর বয়সী তেতসুয়া ইয়ামাগামি ; প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে গুলি করার পরে তাকে আটক করা হয়।
জাপানি সংবাদমাধ্যমগুলো বলেছে, দেশটির সেলফ ডিফেন্স বাহিনীর প্রাক্তন সদস্য ইয়ামাগানি বিশ্বাস করতেন যে, আবে একটি অনির্দিষ্ট ধর্মীয় গোষ্ঠীর অংশ ছিলেন যেটিকে তিনি তার মায়ের আর্থিক ধ্বংসের জন্য দায়ী করেন। তাই তিনি আবেকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন ।
১৯৫০ এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রয়াত রেভারেন্ড সান মিউং মুন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ইউনিফিকেশন চার্চ একটি বিশ্বব্যাপী ধর্মীয় আন্দোলন। সোমবার তারা নিশ্চিত করেছে যে, ইয়ামাগামির মা তাদের একজন সদস্য ছিলেন, কিন্তু তিনি যে কোনো অনুদান দিয়ে থাকতে পারেন সে বিষয়ে তারা কোনো মন্তব্য করেননি।
এ প্রতিবেদনের কিছু তথ্য এপি, রয়টার্স, এএফপি থেকে নেয়া হয়েছে।