আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) পাকিস্তানের জন্য একটি বেইল আউট প্যাকেজ পুনরুজ্জীবিত করতে সম্মত হয়েছে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানির উচ্চ মূল্য,নগদ অর্থের সংকটে থাকা দেশটিকে সংকটের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দেয়। এমন পরিস্থিতিতে আইএমএফ-এর এই সম্মতি পাকিস্তানের জন্য একটি সময়োচিত পদক্ষেপ।
বুধবার দিনের শেষদিকে আইএমএফের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংস্থার কর্মকর্তারা এবং পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ নীতিগতভাবে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। এটি ইসলামাবাদের জন্য বৈশ্বিক ঋণদাতার এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি (ইএফএফ) প্রোগ্রামের পর্যালোচনার অধীনে থাকবে। কর্মকর্তা পর্যায়ের এই চুক্তিটি আইএমএফ বোর্ড দ্বারা অনুমোদিত হলে, অর্থ ছাড়ের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি থাকবে ইএফএফ-এর অধীনে। আর ছাড় করা হবে প্রায় ৪২০ কোটি ডলার।
ব্লুমবার্গ নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের ঋণ পরিশোধ এবং আমদানি ব্যয় মেটানোর জন্য আগামী বারো মাসে কমপক্ষে ৪ হাজার ১ শ কোটি ডলার প্রয়োজন। পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির হার এশিয়াতে দ্বিতীয়।
২০১৯ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সরকার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে খেলাপি হওয়া এড়াতে ৬শ কোটি ডলারের একটি আইএমএফ প্রোগ্রামে সম্মত হয়েছিল। বৈশ্বিক এ ঋণদাতা সংস্থা ঐ অর্থের অর্ধেকেরও কম দিয়েছে।
শরিফের নেতৃত্বে সংসদের বিরোধী দলের একটি অনাস্থা প্রস্তাবে, এপ্রিলের শুরুতে ইমরান খান তার পদ থেকে অপসারিত হন; যা শরীফের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথ সুগম করে।
ইমরান খানে ক্ষমতার শেষ দিনগুলোতে তেল ও বিদ্যুৎ খাতে যে ভর্তুকি দিচ্ছিলেন, নতুন সরকার তা প্রত্যাহার করে নেয়। শরীফের সরকার এই মাসের শুরুতে জ্বালানি তেলের ওপর একটি শুল্ক আরোপ করেছে। এর ফলে, এক মাসের মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম আরও প্রায় ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।
এ প্রতিবেদনের কিছু তথ্য রয়টার্স থেকে নেয়া হয়েছে।