অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ফিলিস্তিনিদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নবায়ন, সৌদি - ইসরাইলের সম্পর্ক স্বাভাবিককরণের দিকে ঝুঁকছে


ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে বেথলেহেমের পশ্চিম তীর শহরে গার্ড অফ অনার এর সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। ১৫ জুলাই, ২০২২।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সৌদি আরবের জেদ্দায় রয়েছেন, এটি মধ্যপ্রাচ্যে তার সফরের শেষ ধাপ। সৌদি আরব তার আকাশসীমা "সমস্ত বাহক" এর জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর তেল আবিব থেকে শুক্রবার তিনি আকাশ পথে জেদ্দায় পৌঁছালেন। এর মাধ্যমে ইসরাইলে যাওয়া এবং আসার ফ্লাইট নিষেধাজ্ঞার সমাপ্তি ঘটালো সৌদি আরব।

ইসরাইল এবং আরব বিশ্বের মধ্যে সম্পর্কের উষ্ণতা বৃদ্ধির অংশ হিসাবে রিয়াদের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তটি একটি ইঙ্গিত কারণ তারা ইরানের হুমকির বিরুদ্ধে সহমত। মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে আরও সমন্বিত এবং স্থিতিশীলতার এই অগ্রগতি সম্পর্কে বাইডেন দাবি করেন যে এটি তাঁর প্রশাসনের চাপের ফলে হচ্ছে।

বাইডেন এক বিবৃতিতে বলেন, “যদিও এই বিষয়টি দীর্ঘকাল ধরে আলোচনা করা হয়েছে, এখন, আমার প্রশাসন এবং সৌদি আরবের মধ্যে কয়েক মাসের স্থির কূটনীতির জন্য ধন্যবাদ, এটি অবশেষে একটি বাস্তবতা। আজ, আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট যে ইসরাইল থেকে সৌদি আরবের জেদ্দায় উড়ে যাবে"।

বাইডেন বলেন, সৌদি সিদ্ধান্ত "এই অঞ্চলে ইসরাইলের আরও একীকরণের গতি বাড়াতে সাহায্য করতে পারে,"। এটি একটি সম্ভাব্য কূটনৈতিক স্বাভাবিককরণের ইঙ্গিত দেয় যা ট্রাম্প প্রশাসনের আব্রাহাম অ্যাকর্ডের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ ঘটাবে।

২০২০ সালের আব্রাহাম চুক্তি ইসরাইল এবং উপসাগরীয় রাষ্ট্র প্রতিবেশী সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের পাশাপাশি সুদান এবং মরক্কোর মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে। ফিলিস্তিনিরা বলে যে তাদের স্বাধীন রাষ্ট্র হবার যুক্তি এই চুক্তির দ্বারা পাশ কাটিয়ে দেওয়া হয়েছে, কারণ ইসরাইলকে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানে আলোচনার জন্য এবং তাদের দখল করা অঞ্চলগুলিতে ফিলিস্তিনিদের সাথে তাদের আচরণের উন্নতি করতে চাপ দিতে আরব দেশগুলি আর কূটনৈতিক সম্পর্ক বন্ধ করছে না।

XS
SM
MD
LG