অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বিশ্ব খাদ্য সংস্থার প্রধান ২০২৩ সালে সম্ভাব্য খাদ্য ঘাটতির বিষয়ে সতর্ক করলেন


বিশ্ব খাদ্য সংস্থার প্রধান ডেভিড বিসলি জাতিসংঘের সদর দপ্তরে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা এবং সংঘাতের ওপর নিরাপত্তা পরিষদের একটি বৈঠকে বক্তব্য রাখছেন। ১৯ মে, ২০২২। ফাইল ছবি।

বিশ্ব খাদ্য সংস্থার প্রধান ডেভিড বিসলি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, যদি রাশিয়া ইউক্রেনের শস্য রপ্তানির ওপর অবরোধ তুলে না নেয় এবং বিশ্ববাজারে নিজস্ব সার না পাঠায় তাহলে আগামী বছর বিশ্বব্যাপী খাদ্য ঘাটতির সম্ভাবনা আছে। বুধবার ক্যাপিটল হিলে তিনি একথা বলেন।

বিসলি উল্লেখ করেছেন, শেষবার ২০০৮ সালে যখন বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি এবং খাদ্যের দাম গুরুতরভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল, তখন প্রায় ৫০টি দেশে নাগরিক অস্থিরতা, বিক্ষোভ এবং দাঙ্গা হয়েছিল।

বিসলি বলেছেন, অস্থিতিশীলতা এবং ব্যাপক অভিবাসনের সম্ভাবনা ছাড়াও রাশিয়ার আক্রমণের আগে খাদ্য নিরাপত্তাহীন মানুষের সংখ্যা ছিল ২৭ কোটি ৬০ লাখ। সে সংখ্যা এখন সাড়ে ৩৪ কোটি বলে অনুমান করা হয়। তিনি বলেছেন, এই সংখ্যার মধ্যে ৪৫টি দেশে ৫ কোটি মানুষ “দুর্ভিক্ষের দরজায় কড়া নাড়ছে।”

বুধবার এক ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ১০৭ ডলার, যা নাটকীয়ভাবে খাদ্য পরিবহনের খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিসলি আইনপ্রণেতাদের বলেছেন, ইতোমধ্যে কার্যক্রমের অর্থের জন্য লড়তে থাকা তার সংস্থা এখন পরিবহন খরচের কারণে প্রতি মাসে ৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার অতিরিক্ত ব্যয়ের মুখোমুখি হচ্ছে।

যেদিন ইউক্রেনের ফার্স্ট লেডি ওলেনা জেলেনস্কা রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার উদ্দেশে তার দেশের জন্য আরও অস্ত্রের আবেদন জানিয়ে আইনপ্রণেতাদের সম্বোধন করেছিলেন, একই দিনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান আলাদাভাবে সিনেট এবং হাউসের বৈদেশিক সম্পর্ক কমিটির সদস্যদের ব্রিফ করেন।

২৪ ফেব্রুয়ারি আক্রমণের আগে ইউক্রেন একটি শীর্ষ বিশ্বব্যাপী শস্য রপ্তানিকারক ছিল। বিশ্বব্যাপী ৪০ কোটি মানুষকে খাওয়ানোর জন্য দেশটি পর্যাপ্ত খাদ্য উৎপাদন করেছিল। বিশ্ব খাদ্য সংস্থা তার অর্ধেক শস্য ইউক্রেন থেকে ক্রয় করে।

XS
SM
MD
LG