অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লার প্রথম চালান পৌঁছেছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে


ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লার প্রথম চালান পৌঁছেছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ইন্দোনেশিয়া থেকে জ্বালানির কয়লার প্রথম চালান এসে পৌঁছেছে। অক্টোবর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। শুক্রবার (৫ আগস্ট) কর্মকর্তারা এ কথা জানিয়েছেন।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) আনোয়ারুল আজিম জানান, “বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ ‘এম ভি আকিজ হেরিটেজ’, ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা ৫৪ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে ৩১ জুলায় চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। সেখান থেকে ১৮ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন কয়লা খালাস করা হয় এবং তিনটি লাইটার জাহাজে করে বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) বিকালে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের টার্মিনালে আনা হয়।”

ডিজিএম আনোয়ারুল আজিজ বলেন, “রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে; এরপর অক্টোবর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উৎপাদনে যাবে কেন্দ্রটি।”

এমভি আকিজ হেরিটেজের মালিক ও টগি শিপিংয়ের ব্যবস্থাপক মো. খানদাকার রিয়াজুল হক জানান, “গত ২০ জুলাই ইন্দোনেশিয়ার তানজুম ক্যাম্ফা বন্দর থেকে ৫৪ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে জাহাজটি ছেড়ে আসে। এর পর, গত ৩১ জুলাই চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজটি নোঙ্গর করে। সেখান থেকে ১৮ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন কয়লা খালাস করে, তিনটি লাইটার জাহাজে তোলা হয়। বাকি ৩৬ হাজার মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে আকিজ হেরিটেজ মোংলা বন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে আসে।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রর মূল অবকাঠামো নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে ভারত হেভি ইলেক্ট্রিক্যাল লিমিটেড (বিএইচইল) নামে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংস্থা। ২০১০ সালে ভূমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ২০১২ সালে আনুষ্ঠানিক শুরু হয় নির্মাণকাজ। প্রকল্পটি নির্মাণে, মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার কোটি টাকা। এখান থেকে দুই ইউনিটের মাধ্যমে, ৬৬০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা রয়েছে।

XS
SM
MD
LG