অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে গোলাবর্ষণ একটি বৈশ্বিক উদ্বেগ, বললেন জেলেন্সকি


ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে রুশ সামরিক বাহিনী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় অবস্থিত ঝাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি অংশে এক রুশ সৈন্যকে পাহাররত অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে, ১ মে ২০২২। (ফাইল ফটো)
ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে রুশ সামরিক বাহিনী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় অবস্থিত ঝাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি অংশে এক রুশ সৈন্যকে পাহাররত অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে, ১ মে ২০২২। (ফাইল ফটো)

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি তার প্রাত্যহিক ভাষণে বৃহস্পতিবার দিনের শেষদিকে বলেন যে, ইউক্রেনে ঝাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আশেপাশে “রাশিয়া আরও একবার গোলাবর্ষণ করেছে বলে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে”। এটি ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।

জেলেন্সকি বলেন, “আর কেউই গোটা বিশ্বকে হুমকি দিতে এত স্পষ্টভাবে একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ব্যবহার করেনি।বিশ্বের সকলের উচিৎ ঝাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের এলাকাকে দখলদার মুক্ত করতে অবিলম্বে সাড়া দেওয়া। এটা শুধু ইউক্রেনের প্রয়োজন নয়, এটি একটি বৈশ্বিক স্বার্থ ”।

ঐ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে গোলাবর্ষণের জন্য ইউক্রেন ও রাশিয়া একে অপরকে দায়ী করছে।

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস এক বিবৃতিতে বলেন, “ঐ স্থাপনাটিকে কোন সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে কোনভাবেই ব্যবহার করা যাবে না। বরং, ঐ এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, নিরাপদ বেসামরিকীকরণ পরিধিতে, জরুরি ভিত্তিতে কারিগরী পর্যায়ে একটি চুক্তি প্রয়োজন।”

এদিকে, আরও একটি খবর হচ্ছে, ইউক্রেনের বন্দর থেকে শুক্রবার দুইটি জাহাজ ছেড়ে গিয়েছে। ইউক্রেনের অবকাঠামো বিষয়ক মন্ত্রী, ওলেকসান্দার কুবরাকভ এক টুইট বার্তায় লেখেন যে, ঐ দুইটির মধ্যে একটি জাহাজে ২৩ হাজার টন শস্য বোঝাই করে তা ইথিওপিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার কথা। শুক্রবারের দুইটি সহ এখন পর্যন্ত মোট চৌদ্দটি জাহাজ খাদ্যশস্য বোঝাই করে ইউক্রেনের বন্দর ছেড়ে গিয়েছে।



XS
SM
MD
LG