অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

পরমাণু চুক্তি সংক্রান্ত ইইউর প্রস্তাব ‘গ্রহণযোগ্য’ হতে পারে: ইরান


ছবিটিতে পরমাণুর প্রতীক এবং ইরানের পতাকা দেখা যাচ্ছে।২১ জুলাই, ২০২২। ফাইল ছবি।

শুক্রবার ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ একজন উর্ধ্বতন ইরানি কূটনীতিকের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, ২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রস্তাব ‘গ্রহণযোগ্য’ হতে পারে, যদি তেহরানের মূল দাবিগুলোর বিষয়ে ‘আশ্বাস’ প্রদান করা হয়।

ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটি এই নিশ্চয়তা পেতে চাইছে যে, চুক্তিটি যদি পুনরুজ্জীবিত করা হয় তবে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রেসিডেন্ট তা পরিত্যাগ না করেন। যেমনটি ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করেছিলেন এবং ইরানের ওপর নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন।

তবে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ ধরনের লৌহ-বর্ম ঘেরা আশ্বাস দিতে পারবেন না; কারণ এটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক কোন চুক্তি নয় বরং একটি রাজনৈতিক বোঝাপড়া।

ওয়াশিংটন বলেছে, চুক্তি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তারা ইইউর প্রস্তাবের ভিত্তিতে দ্রুত একটি সমঝোতায় পৌছাতে প্রস্তুত।

ইরানের কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা ইইউ-কে তাদের “ বাড়তি মতামত ও বিবেচনাগুলি ” জানাবেন। তেহরানে বৈঠকের পর ইইউ আলোচনা সমন্বয় করছে।

মার্চ মাসে মনে হয়েছিল ২০১৫-র চুক্তিটি পুনরজ্জীবিত হতে যাচ্ছে কিন্তু ১১ মাস ধরে তেহরান ও বাইডেন প্রশাসনের মধ্যে ভিয়েনায় চলা পরোক্ষ আলোচনা একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে পড়ে।প্রধানত, ইরানের এলিট রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরকে ওয়াশিংটনের বিদেশী সন্ত্রাসী সংস্থার তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে; ইরানের এমন জেদের কারণেই এ অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়।

২০১৫ সালের চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ এবং জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে ইরান তাদের বিতর্কিত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি বন্ধ করেছিল, যা ছিল তাদের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে সম্ভাব্য যাত্রা। তেহরান বলেছে শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তারা পারমাণবিক শক্তির অধিকারী হতে চায়।

XS
SM
MD
LG