অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

রুশদিকে ছুরিকাঘাতের ঘটনার সাথে যুক্ত থাকার কথা অস্বীকার করেছে ইরান


ফাইল ছবি- মিসিসিপি’র জ্যকসনে, মিসিসিপি বইমেলায় লেখক সালমান রুশদি তার লেখক জীবনের সূচনা সম্পর্কে কথা বলছেন। ১৮ আগস্ট, ২০১৮।
ফাইল ছবি- মিসিসিপি’র জ্যকসনে, মিসিসিপি বইমেলায় লেখক সালমান রুশদি তার লেখক জীবনের সূচনা সম্পর্কে কথা বলছেন। ১৮ আগস্ট, ২০১৮।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রক সোমবার, লেখক সালমান রুশদিকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায়, ইরানের কোন ধরনের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রকের একজন মুখপাত্র সাংবাদিকদের বলেছেন, ইরান মনে করে “তিনি এবং তার সমর্থক ছাড়া অন্য কারও প্রতি দোষারোপ বা কাউকে অভিুক্ত করা উচিত নয়।”

রোববার রুশদির এজেন্ট বলেন, লেখকের সুস্থ হতে অনেক সময় লাগবে। তবে তার “অবস্থা ভালোর দিকে যাচ্ছে।”

রুশদির ছেলে জাফর রুশদি এক বিবৃতিতে বলেছেন, “যদিও তার জীবন পরিবর্তনকারী এ আঘাত গুরুতর, তবুও তার স্বভাবসুলভ দৃঢ় ও প্রতিবাদী রসবোধ অক্ষুণ্ণ রয়েছে।”

রোববার পশ্চিম নিউইয়র্ক রাজ্যের চৌতাউকোয়া ইন্সটিটিউশনে শৈল্পিক স্বাধীনতার বিষয়ে একটি বক্তব্য প্রদানের প্রস্তুতিকালে এক হামলাকারী রুশদিকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে।

রুশদির ওপর হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত হাদি মাতার শনিবার হত্যা চেষ্টা ও হামলার অভিযোগে দোষী নন বলে আদালতের নিকট আবেদন করেছেন। তাকে জামিন অযোগ্য বিধির আ্ওতায় আটক রাখা হয়েছে।

১৯৮৮ সালে রুশদির বই দ্য স্যাটানিক ভার্সেস প্রকাশিত হওয়ার পর, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি রুশদি এবং বইটির প্রকাশনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের হত্যা করার ফতোয়া জারি করেন। কারণ, তার মতে, ইসলামের দৃষ্টিতে বইটির বিষয়বস্তু সৃষ্টিকর্তা বিরোধী।

ফতোয়া হলো ইসলাম ধর্মের আদেশ। খোমেনির মৃত্যুর পরও ঐ ফতোয়া কার্যকর রয়েছে।

ফতোয়া জারি হবার পর, প্রায় ৯ বছর রুশদি নির্জনে বসবাস করেন।তারপর থেকে তিনি আবার প্রকাশ্যে জীবনযাপন শুরু করেন।

এ প্রতিবেদনের কিছু তথ্য এপি, রয়টার্স এবং এএফপি থেকে নেয়া হয়েছে।

XS
SM
MD
LG