অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে মামলা চলবে: হাইকোর্ট

বাংলাদেশের ঢাকায় ৪র্থ বার্ষিক সামাজিক ব্যবসা দিবসে বক্তৃতা করছেন, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা এবং নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূস। ২৮ জুন, ২০১৩। (ফাইল ছবি)
বাংলাদেশের ঢাকায় ৪র্থ বার্ষিক সামাজিক ব্যবসা দিবসে বক্তৃতা করছেন, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা এবং নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূস। ২৮ জুন, ২০১৩। (ফাইল ছবি)

শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে করা মামলা বাতিল চেয়ে করা আবেদন খারিজ করেছেন বাংলাদেশের হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

এ রায়ের ফলে তার বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে এ মামলা চলতে আইনগত কোন বাধা নেই বলে জানিয়েছেন শ্রম মন্ত্রণালয়ের পক্ষের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। আদালতে ড. ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন।

এর আগে, গত ১৩ জুন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে করা এ মামলার কার্যক্রম নিম্ন আদালতে দুই মাস স্থগিত থাকবে বলে আদেশ দেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে এই সময়ের মধ্যে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে করা মামলা কেন বাতিল হবে না, এই মর্মে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টকে নির্দেশ দেয়া হয়। আপিল বিভাগের আদেশ অনুযায়ী শুনানি শেষে বুধবার রুল খারিজ করে রায় দেন হাইকোর্ট।

গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করে ঢাকার কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তর। ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে এ মামলা করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- গ্রামীণ টেলিকমের এমডি আশরাফুল হাসান, পরিচালক নূর জাহান বেগম ও শাহজাহান। এই তিন আসামিও পৃথকভাবে মামলার আবেদন করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ড. ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকম পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে তারা শ্রম আইনের কিছু লঙ্ঘন দেখতে পান। এর মধ্যে ১০১ জন শ্রমিক-কর্মচারীকে স্থায়ী করার কথা থাকলেও তাদের স্থায়ী করা হয়নি। শ্রমিকদের অংশগ্রহণের তহবিল ও কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়নি। এ ছাড়া কোম্পানির লভ্যাংশের ৫ শতাংশ শ্রমিকদের দেয়ার কথা থাকলেও তা তাদের দেয়া হয়নি। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে এ মামলা করা হয়।

পরে মামলা বাতিল চেয়ে ড. ইউনূস হাইকোর্টে আবেদন করেন। ওই আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে এ মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে মামলা কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। যে রুল বুধবার খারিজ করেন হাইকোর্ট।

This item is part of
XS
SM
MD
LG