অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

উদ্ধারকারী ট্রলারে ফিরেছেন দেড় শতাধিক জেলে, এখনও নিখোঁজ ২৫০ জন

উদ্ধারকারী ট্রলারে ফিরেছেন দেড় শতাধিক জেলে, এখনও নিখোঁজ ২৫০ জন।
উদ্ধারকারী ট্রলারে ফিরেছেন দেড় শতাধিক জেলে, এখনও নিখোঁজ ২৫০ জন।

বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটাসংলগ্ন বঙ্গোপসাগর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ডুবে যাওয়া ১৮টি ট্রলারের দেড় শতাধিক জেলেকে। তবে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন আড়াই শতাধিক জেলে।

শনিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির উদ্ধারকারী ট্রলারসহ স্থানীয় অধিবাসীরা এসব জেলেকে নিয়ে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে পৌঁছায়। এ সময় জেলেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুয়াকাটা-আলীপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি আনসার উদ্দিন মোল্লা এবং মহিপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ রাজা।

কুয়াকাটা-আলীপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি আনসার উদ্দিন মোল্লা জানান, “আলীপুরের ডুবে যাওয়া ট্রলারের সকল জেলেকে সুন্দরবনসহ বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ জনকে সাগর থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। আর ১১ জেলেকে ভারতের রায়দীঘির জেলেরা উদ্ধার করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “ রায়দীঘির জেলেদের উদ্ধার করা ১১জন বর্তমানে ভারতের সাউথ সুন্দরবন ফিসারম্যান অ্যান্ড ফিস ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের হেফাজতে রয়েছে। আর বাকি জেলেদের আমাদের মালিক সমিতির ট্রলার ও স্থানীয় জেলেরা উদ্ধার করেছে। তবে এখনও নিখোঁজ রয়েছে কমপক্ষে ১২৬ জেলেসহ সাতটি ট্রলার।”

মহিপুর আড়ৎ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ রাজা জানান, “মহিপুরের আড়তগুলোতে মাছ সরবরাহকারী ৯ টি ট্রলার ডুবে গেছে। এখনও অন্তত ১৩০ জেলেসহ ৯ টি ট্রলার নিখোঁজ রয়েছে। এছাড়া গভীর সাগর থেকে তীরে ফেরার পথে একটি ট্রলার থেকে রফিক নামের এক জেলে বঙ্গোপসাগরে পড়ে যায়। তিনি এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন।”

কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার মোর্শেদ জানান, “নিখোঁজ জেলে ও ট্রলার উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে আমাদের উদ্ধারকারী নৌ-যানের সংকট রয়েছে।”

This item is part of
XS
SM
MD
LG