অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আর্কাইভ: ট্রাম্প ৭০০ পাতা গোপনীয় নথি ফ্লোরিডায় নিয়ে গিয়েছিলেন


তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউজের জেমস ব্র্যাডি প্রেস ব্রিফিং কক্ষে কাগজ তুলে ধরে রেখেছেন (২০ এপ্রিল, ২০২০) ফাইল
তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউজের জেমস ব্র্যাডি প্রেস ব্রিফিং কক্ষে কাগজ তুলে ধরে রেখেছেন (২০ এপ্রিল, ২০২০) ফাইল

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আর্কাইভ মঙ্গলবার জানিয়েছে, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার মেয়াদ শেষে ওয়াশিংটন ছেড়ে যাওয়ার সময় প্রায় সরকারের শীর্ষ গোপনীয় তথ্য সমৃদ্ধ ৭০০ পাতার নথি নিয়ে যান।

গত ১০ মে ভারপ্রাপ্ত ইউএস আর্কাইভিস্ট ডেবরা স্টাইডেল ওয়াল, ট্রাম্পের অন্যতম এক কৌশুলি ইভান করকোরানকে পাঠানো এক চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়। তিনি ট্রাম্পের প্রতিনিধিদের এই দাবি নাকচ করে দেন যে হোয়াইট হাউজে থাকার কারণে নির্বাহী সুবিধার অংশ হিসেবে সাবেক প্রেসিডেন্টকে কিছু নথিপত্র রাখতে দেয়া উচিত্।

তিনি চিঠিতে আরও জানান, ‘প্রায় ১০০ গোপন নথি’ ১৫টি বাক্সতে ভরে মার-আ-লাগোয় নিয়ে যাওয়া হয়। জানুয়ারিতে সেগুলো পুনরুদ্ধার করা হয়।

জুনে আরও কিছু নথি ট্রাম্পের সহযোগীরা আর্কাইভের কাছে ফিরিয়ে দেয়। এরপর ৮ আগস্ট এফবিআই আদালত অনুমোদিত তল্লাশি আদেশের মাধ্যমে ট্রাম্পের এস্টেট থেকে প্রায় ২ ডজন বাক্স উদ্ধার করে, যার ১১টিতে গোপন ফাইল ছিল।

উদ্ধার করা কিছু নথিতে ‘টপ সিক্রেট/সেনসিটিভ কম্পার্টমেন্টেড ইনফরমেশন’ তকমা দেওয়া ছিল, যার অর্থ এসব নথির তথ্য হচ্ছে সরকারের সবচেয়ে গোপনীয় তথ্য এবং এগুলো শুধুমাত্র সরকারের উচ্চ-মাত্রায় সুরক্ষিত অবস্থানে নিরীক্ষা করার কথা, ট্রাম্পের মার-আ-লাগোর মতো কোনো বাসস্থানে নয়।

ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি এই নথিগুলোকে তার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ডিক্লাসিফাই করেছেন। কিন্তু এই দাবির স্বপক্ষে তিনি বা তার সহযোগীরা কোনো তথ্য-প্রমাণ দিতে পারেননি।

গত সোমবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফ্লোরিডার এস্টেট থেকে জব্দ করা দলিলপত্র যাতে এফবিআই পর্যালোচনা না করে, সে বিষয়ে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিতে একটি ফেডারেল আদালতকে অনুরোধ করেছেন ট্রাম্পের আইনজীবীরা। নির্বাহী প্রাধিকারের আওতায়, একজন স্পেশাল মাস্টার নিয়োগের পূর্ব পর্যন্ত তারা এই নিষেধাজ্ঞা প্রার্থনা করেন।

সোমবার দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, সার্বিকভাবে সরকার ট্রাম্পের এস্টেট থেকে ৩০০’র চেয়ে বেশি গোপন নথি উদ্ধার করেছে যার মধ্যে রয়েছে সিআইএ , ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি ও এফবিআই ‘র জিনিষপত্র যদিও সেগুলোর মধ্যে ঠিক কি রয়েছে সেটা প্রকাশ করা হয়নি।

ট্রাম্পের মিত্ররা দাবি করেছেন, হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিস থেকে নথি ডিক্লাসিফাই করার জন্য তার কাছে ‘স্ট্যান্ডিং অর্ডার’ ছিল। তবে এ দাবির স্বপক্ষে কোনো লিপিবদ্ধ তথ্যপ্রমাণ দিতে পারেননি তারা।

XS
SM
MD
LG