অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

যুক্তরাষ্ট্র,ইরানের পারমাণবিক চুক্তি নবায়নের ক্ষেত্রে ‘ফাঁক রয়ে গেছে’


ইরানের প্রেসিদেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ২০২২ সালের ১১ জুন ইরানের তেহরানে একটি সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন। ফাইল ছবি।

যুক্তরাষ্ট্র একটি খসড়া প্রস্তাব সম্পর্কে ইরানের মন্তব্যের বিষয়ে শীঘ্রই তার প্রতিক্রিয়া জানাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতির বিনিময়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য এই খসড়াটি তৈরি করা হয়েছে।

কয়েক মাসের আলোচনা থেকে তৈরি হওয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের খসড়া নথিটি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ পরীক্ষা করে দেখছে।

বাইডেন প্রশাসনের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, পক্ষগুলো দুই সপ্তাহ আগের তুলনায় বর্তমানে চুক্তিটির কাছাকাছি থাকলেও, “কিছু ফাঁক রয়ে গেছে।”

ওই কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোরকে তাদের মনোনীত সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকা থেকে অপসারণ করার, বা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ইরানের তিনটি অঘোষিত স্থলে পাওয়া ইউরেনিয়াম সংক্রান্ত অনুসন্ধান বন্ধের ইরানের যে দাবি তা ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত নেই।

২০১৫ সালে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া এবং জার্মানির একটি গোষ্ঠী যৌথ ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সম্মত হয়েছিল যাতে ইরান তার প্রধান রপ্তানিপণ্য তেলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি লাভ করে। আন্তর্জাতিক পক্ষের লক্ষ্য ছিল ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে তা নিশ্চিত করা।

২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তিটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে চুক্তিটি ইরানের প্রতি খুবই মিত্রভাবাপন্ন বলে তার সমালোচনা করছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন। বারাক ওবামার অধীনে তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সময় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

বুধবার সিরিয়ায় যারা যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল তাদের সাথে কোনো যোগসূত্র থাকার কথা ইরান অস্বীকার করেছে।

এ প্রতিবেদনের কিছু তথ্য এপি এবং এএফপি থেকে নেয়া হয়েছে।

XS
SM
MD
LG