অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইরানের আসন্ন পারমাণবিক চুক্তি সম্পর্কে ইসরাইলের প্রবল আপত্তি


জেরুজালেমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিদেশী সংবাদমাধ্যমের জন্য একটি নিরাপত্তা ব্রিফিং-এ ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ ইরান সম্পর্কে কথা বলছেন। ২৪ আগস্ট, ২০২২।
জেরুজালেমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিদেশী সংবাদমাধ্যমের জন্য একটি নিরাপত্তা ব্রিফিং-এ ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ ইরান সম্পর্কে কথা বলছেন। ২৪ আগস্ট, ২০২২।

ইরানের সাথে আন্তর্জাতিক পরমাণু চুক্তি নবায়নের সর্বশেষ প্রস্তাবটিকে যুক্তরাষ্ট্র মূল্যায়ন করে দেখেছে বলে জানা গেছে। চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার দিকে আগাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। এক প্রতিক্রিয়ায়, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী চুক্তিটির নিন্দা জানিয়ে সতর্ক করেছেন যে এই চুক্তি ইরানকে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত হতে বিরত রাখতে পারবে না এবং ইসরাইল ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে বাধা দেয়ার জন্য কাজ করবে।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ বলেছেন, “এ চুক্তির অধীনে ইরানকে বছরে ১০ হাজার কোটি ডলার দেয়া হবে। এই টাকায় স্কুল বা হাসপাতাল বানানো হবে না। বছরে ১০ হাজার কোটি ডলার মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে এবং বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাস ছড়িয়ে দিতে ব্যবহৃত হবে।”

ইসরাইলের সন্দেহ এই চুক্তির গুণাগুণ সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মতামতকে পরিবর্তন করবে- এমন সম্ভাবনা নেই বলে মনে হচ্ছে। এটি মনে হওয়ার আংশিক কারণ প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০১৮ সালে পূর্ববর্তী পারমাণবিক চুক্তি থেকে প্রত্যাহারের বিষয়ে ইসরাইলের উৎসাহ প্রদান। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান এখন আগের চেয়ে পারমাণবিক বোমা বানানোর অনেক কাছাকাছি।

ইরান দাবি করেছে যে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং এটি কেবল জ্বালানি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে চালানো হচ্ছে।

কয়েক বছর ধরে ইসরাইল ইরানে পরমাণু বিজ্ঞানীদের হত্যার পেছনে কাজ করছে বলে জানা গেছে। এবং ইসরাইল ও ইরান একে অপরের বিরুদ্ধে একটি প্রবল সাইবারযুদ্ধ পরিচালনা করেছে।

ইসরাইলের প্রাক্তন গোয়েন্দা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়োসি কুপারওয়াসার বলেছেন, ইসরাইলের এমনকি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালাতে হতে পারে। এটি এমন একটি পদক্ষেপ যা সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য এবং তার বাইরেও ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।

XS
SM
MD
LG