অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইথিওপিয়ার সরকার টিগ্রের রাজধানী মেকেলেতে বিমান হামলা শুরু করেছে


ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় টিগ্রে অঞ্চলের রাজধানী মেকেলেতে বিমান হামলার পর মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত একটি খেলার মাঠ দেখছে। স্থিরচিত্রটি ২৬ আগস্ট ভিডিও থেকে নেয়া। (রয়টার্সের, রয়টার্স টিভির সৌজন্যে টিগ্রে টিভি থেকে নেয়া)

অস্থিতিশীল টিগ্রের রাজধানীতে শুক্রবার ইথিওপিয়ার সরকারের বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন নিহত হয় বলে জানা গেছে। এই বিমান হামলার ফলে উত্তর ইথিওপিয়ায় যে মানবিক কারণে পাঁচ মাস ধরে যুদ্ধ বিরতি ছিল তা ভেঙ্গে যায়।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকাল ৩টার কিছু আগে ইথিওপিয়ার বিমান বাহিনী টিগ্রের রাজধানী মেকেলেতে লক্ষ্যস্থলগুলোতে বোমা বর্ষণ করে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে মেকেলের একটি হাসপাতালের এক চিকিৎসক পরে জানান যে শিশুদের খেলার মাঠে বিমানটি আঘাত হানে। ঐ আক্রমণে দুই শিশুসহ কমপক্ষে চারজন নিহত হয়।

ইথিওপিয়ার ফেডারেল সরকার অনলাইনে একটি বিবৃতি জারি করে টিগ্রের সকল নাগরিককে সম্ভাব্য সামরিক লক্ষ্যবস্তু থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

কেউ কেউ টুইটারে উল্লেখ করেছে যে সরকার ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার কারণে কয়েক মাস ধরে টিগ্রেতে বেশিরভাগ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে এবং টিগ্রের অভ্যন্তরের লোকজনের পক্ষে ঐ বিবৃতিটি দেখার কোনও উপায় নেই।

সরকারি মুখপাত্র সেলামাওয়িত কাসা ভিওএ-কে পাঠানো এক ই-মেইলে জানিয়েছেন যে ইথিওপিয়ার বিমান বাহিনী কেবল সামরিক স্থাপনাগুলোকেই টার্গেট করছে। তিনি টিপিএলএফকে “বেসামরিক এলাকায় ভুয়া বডি ব্যাগ ফেলে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন যাতে বিমান বাহিনী বেসামরিক নাগরিকদের উপর আক্রমণ করেছে বলে দাবি করা যায়।

উত্তর ইথিওপিয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে আবার যুদ্ধে শুরু হওয়ায় বিমান হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাঁচ মাসের যুদ্ধবিরতি যা শান্তি আলোচনার আশা জাগিয়েছিল তা বুধবার আমহারার এলাকায় স্থলযুদ্ধ শুরু হলে যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙ্গে যায়।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পুনরায় লড়াই শুরু হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মানবতাবাদী সংগঠনগুলো বলছে, যুদ্ধ তীব্র হওয়ার আগেই টিগ্রের একটি বড় অংশ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ার আশংকা রয়েছে।

XS
SM
MD
LG