অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইউক্রেনের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন জাতিসংঘের পরিদর্শকগণ

ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত চলাকালীন, ইউক্রেনের ঝাপোরিঝিয়া অঞ্চলের রুশ নিয়ন্ত্রিত এনেরদোহার শহরের বাইরে অবস্থিত ঝাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি দৃশ্য, ৩০ আগস্ট ২০২২।
ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত চলাকালীন, ইউক্রেনের ঝাপোরিঝিয়া অঞ্চলের রুশ নিয়ন্ত্রিত এনেরদোহার শহরের বাইরে অবস্থিত ঝাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি দৃশ্য, ৩০ আগস্ট ২০২২।

জাতিসংঘের পরমাণু পরিদর্শকগণ, ইউক্রেনের ঝাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বৃহস্পতিবার থেকে কাজ শুরু করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তারা সেখানে নিরাপত্তার বিভিন্ন দিক মূল্যায়ন করবেন। ঐ এলাকায় লড়াইয়ের ফলে স্থাপনাটি ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে এক আন্তর্জাতিক উদ্বেগের মধ্যে তারা কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন।

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি সংবাদদাতাদের বলেন যে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির কাছে “সামরিক তৎপরাতা বাড়ছে, এমনকি আজকে সকালেও এমন ঘটনা ঘটেছে”।

গ্রসি বলেন, “তবে ভাল ও খারাপ দিকগুলো বিবেচনা করে এতদূর এসেছি, আমরা থামছি না”।

এটিই ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ইউক্রেনের বিদ্যুতের এক গুরুত্বপূর্ণ উৎস। ইউক্রেন ও রাশিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রটির এলাকায় গোলাবর্ষণের জন্য বারবার পরস্পরকে দোষারোপ করেছে।

এমন দোষারোপ বৃহস্পতিবারও অব্যাহত থাকে। রাশিয়া বলেছে যে, বিদ্যৎকেন্দ্রটি দখলের চেষ্টায় ইউক্রেন একদল সৈন্য পাঠিয়েছিল। অপরদিকে, ইউক্রেন বলেছে, স্থাপনাটিতে যাওয়ার জন্য আইএইএ’র দল যে পথ ব্যবহার করবে, সেটিতে রুশ বাহিনী গোলাবর্ষণ করেছে।

ইউক্রেনের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর তত্ত্বাবধানকারী প্রতিষ্ঠান এনেরহোঅ্যাটম বলেছে, রুশ গোলা বর্ষনের ফলে ঝাপোরিঝিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের জরুরি সুরক্ষা ব্যবস্থা, কেন্দ্রটির একটি চুল্লি বন্ধ করে দিয়েছে।

গ্রসি বলেন তিনি আশা করছেন তার দলের প্রাথমিক কাজ কয়েকদিন ধরে চলবে এবং তিনি সেখানে একটি স্থায়ী উপস্থিতি নিশ্চিত করার বিষয়ে আশাবাদী।

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি একটি যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্যে অবস্থিত হওয়ায় বিশ্ব নেতারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং ১৯৮৬ সালে ইউক্রেনের চেরনোবিল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মত একটি তেজস্ক্রিয় বিপর্যয়ের রূপ নিতে পারে।

XS
SM
MD
LG