অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

চা শিল্প বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে, এর ক্ষতি করা উচিত নয়: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট ও চট্টগ্রাম এলাকার চা শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন শেখ হাসিনা। শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২।
গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট ও চট্টগ্রাম এলাকার চা শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন শেখ হাসিনা। শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২।

চা শিল্প যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সবাইকে এ বিষয়ে সজাগ থাকতে বলেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, “চা শিল্প আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী ফসল। তাই এই শিল্পের ক্ষতি করা উচিত নয়; এটাকে অবশ্যই আরও সমৃদ্ধ করতে হবে।”

শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট ও চট্টগ্রাম এলাকার চা শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকার সব সময় চা শ্রমিকদের উন্নয়ন ও চা বাগান সম্প্রসারণে কাজ করেছে। চা শ্রমিকদের নাগরিকত্ব ছিল না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৪ সালে শিল্পমন্ত্রী থাকা কালে তাদের নাগরিকত্ব দিয়েছিলেন। এ কারণে, আমি মনে করি আপনাদের প্রতি আমাদের কিছু অতিরিক্ত দায়িত্ব রয়েছে। আমরা সবসময় আপনাদের সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করেছি।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কয়েকদিন আগে চা শ্রমিকেরা তাদের মজুরি বাড়ানোর দাবি উত্থাপন করলে, আমি চা বাগানের মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করি এবং চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণ করি। মালিকরা যাতে চা শ্রমিকদের মর্যাদা নিশ্চিত করতে পারে এবং তাদের সুযোগ-সুবিধার প্রতি খেয়াল রাখে সেজন্য সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে।”

শেখ হাসিনা বলেন, “করোনাভাইরাস মহামারী ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। সেই আঘাতে সৃষ্ট ঢেউয়ের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। তাই আমরা সাধারণ মানুষের জন্য ন্যায্য মূল্যে খাদ্য সরবরাহ করার চেষ্টা করছি। যাতে তারা তাদের আয় দিয়েই নিজেদের পরিবার নিয়ে টিকে থাকতে পারে।”

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চা শ্রমিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে, চা বাগান মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করে চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১২০ টাকা থেকে ১৭০ টাকায় উন্নীত করার নির্দেশ দেন।

This item is part of
XS
SM
MD
LG