অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

রাশিয়ার সাইবার হামলা আসছে বলে সতর্ক করল ইউক্রেন

একটি ল্যাপটপে ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের ওয়েবসাইটে ইউক্রেনীয়, রুশ ও পোলিশ ভাষায় লেখা একটি সতর্কবার্তা দেখা যাচ্ছে, ১৪ জানুয়ারি ২০২২।ফাইল ফটো।
একটি ল্যাপটপে ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের ওয়েবসাইটে ইউক্রেনীয়, রুশ ও পোলিশ ভাষায় লেখা একটি সতর্কবার্তা দেখা যাচ্ছে, ১৪ জানুয়ারি ২০২২।ফাইল ফটো।

রুশ সাইবার হামলার নতুন এক জোয়ার সামাল দিতে প্রস্তুত হচ্ছে ইউক্রেন। হামলাগুলোর লক্ষ্য সম্ভবতঃ সামনের মাসগুলোতে ইউক্রেনের নাগরিকদের ঠান্ডায় জমিয়ে ফেলা ও তাদের ক্রয়ক্ষমতা দূর্বল করে ফেলা।

ইউক্রেনের এক উচ্চপর্যায়ের সাইবার কর্মকর্তা শুক্রবার এক মূল্যায়ন পর্যালোচনা দেন। সেই অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে, শীত আসার সময়ের ঐ হামলাগুলোর মধ্যে থাকবে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট সাইবার আক্রমণ, যাতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থাগুলোর বিরুদ্ধে ভার্চুয়াল প্রচেষ্টাগুলোর সাথে বাস্তবিক কর্মকাণ্ড যৌথভাবে ব্যবহার করা হবে।

ওয়াশিংটনে এক সাইবার নিরাপত্তা সম্মেলনের পার্শ্বকর্মসূচিতে, ডিজিটাল রূপান্তরণ বিষয়ক উপমন্ত্রী, জর্জি ডুবিনস্কি সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা এমন পরিস্থিতি আগেও দেখেছি”।

তিনি বলেন, “তারা [রাশিয়া] কিভাবে আমাদের বিদ্যুৎব্যবস্থাকে অবদমিত করা যায়, পরাজিত করা যায় তার একটি পথ খোঁজার এবং ইউক্রেনীয়দের জন্য পরিস্থিতি আরও গুরুতর করার চেষ্টা করছে। আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

তবে সাইবারজগতে রাশিয়ার প্রচেষ্টা সম্পর্কে সতর্ককারী ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে ডুবিনস্কি প্রথম ব্যক্তি নন।

বেশ কিছু সংখ্যক ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাই রাশিয়ার সাথে যুদ্ধটিকে বিশ্বের প্রথম সাইবার যুদ্ধ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।

আগস্টে ইউক্রেনের স্টেট স্পেশাল কমিউনিকেশনস সার্ভিস এর সহকারি প্রধান, ভিক্টর ঝোরা এক অনলাইন সম্মেলনে বলেন যে, ক্রেমলিনের সাইবার হামলাগুলো বিরতিহীন।

সে সময়ে ঝোরা বলেন, “আমরা প্রায় প্রতিদিনই অব্যাহতভাবে নতুন সাইবারহামলা তালিকাভুক্ত করে চলেছি।” তিনি প্রাক্কলন করেছিলেন যে, বছরের শুরু থেকে তখন পর্যন্ত অন্তত ১,৬০০টি বড় আকারের হামলার ঘটনা ঘটে।

রাশিয়া আগ্রাসী সাইবারহামলাগুলোতে জড়িত থাকার কথা লাগাতারভাবেই অস্বীকার করে আসছে। অস্বীকার করা হামলাগুলোর মধ্যে সেগুলোও রয়েছে, যেগুলো রাশিয়ার আক্রমণ আরম্ভের আগের সন্ধ্যায় ইউক্রেনকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল।

XS
SM
MD
LG