অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে থাকা নিলাম অযোগ্য পণ্য ধ্বংসের কাজ শুরু করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ


চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে থাকা নিলাম অযোগ্য পণ্য ধ্বংসের কাজ শুরু করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে থাকা নিলাম অযোগ্য পণ্য ধ্বংসের কাজ শুরু করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন খালাস না নেয়ার কারণে পড়ে থাকা নিলাম অযোগ্য ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংসের কাজ শুরু করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। রবিবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে চট্টগ্রামের আউটার রিং রোড সংলগ্ন হালিশহরের আনন্দবাজার এলাকার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ডাম্পিং স্টেশনের পাশের একটি খালি জায়গায় এসব পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে।

প্রথম দিন ধ্বংস করা হয়েছে ৩০টি কন্টেইনার পণ্য। এই কার্যক্রম চলবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এ কথা নিশ্চিত করেছেন নিলাম শাখার ডেপুটি কমিশনার সন্তোষ সরেন।

ডেপুটি কমিশনার সন্তোষ সরেন বলেন, “রবিবার থেকে পণ্য ধ্বংস করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ৩৮২টি কনটেইনার আছে, যেগুলোতে মেয়াদোত্তীর্ণ ও পচনশীল পণ্য রয়েছে। এগুলো দীর্ঘদিন ধরে বন্দরে পড়েছিলো। আমদানিকারকরা বিভিন্ন কারণে বন্দর থেকে এগুলো খালাস করেননি। আমাদের পরিকল্পনা আছে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০টি কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০টি কনটেইনার করা হলে, আগামী ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব পণ্য ডাম্পিং ডিপোতে ধ্বংস করা শেষ হবে। তবে কেমিক্যাল জাতীয় পণ্য সিলেটে ধ্বংস করা হবে।”

সন্তোষ সরেন বলেন, “এর আগেও কনটেইনারে থাকা পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে। নিলাম অযোগ্য ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। পন্য ধ্বংস করার পর, কনটেইনারগুলো চট্টগ্রাম বন্দর থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। এতে চট্টগ্রাম বন্দরের কিছু জায়গা খালি হবে।”

কাস্টম হাউস জানায়, চট্টগ্রাম বন্দরে ধ্বংসযোগ্য কন্টেইনারের মধ্যে রয়েছে ১৩৬টি রেফার্ড কন্টেইনার, ৩২টি ড্রাই কন্টেইনার। বাকি ২১৪টি বিভিন্ন অফডকে থাকা ড্রাই কন্টেইনার।

কাস্টম কর্মকর্তারা জানান, বিদেশ থেকে আনা এসব কন্টেইনারভর্তি পণ্য নির্দিষ্ট সময়ে খালাস নেয়নি আমদানিকারকরা। নিয়ম অনুযায়ী আমদানি করা পণ্য ৩০ দিনের মধ্যে খালাসের নির্দেশ দিয়ে নোটিস দেওয়া হয়। নোটিস দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে পণ্য খালাস না নিলে, সেসব পণ্য নিলামে তোলে কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ। যেসব পণ্যের মেয়াদ থাকে না, সেগুলোর ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালনা করে কাস্টম কর্তৃপক্ষ।

XS
SM
MD
LG