অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

কঙ্গো ও ইথিওপিয়ায় শান্তি প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দিবেন কেনিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট


কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির মোই ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস সেন্টারে, প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটোর অভিষেক অনুষ্ঠানে রুটোর সাথে করমর্দন করছেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট উহুরু কেনিয়াটা, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২। (ফাইল ফটো)

কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটো তার পূর্বসূরি সাবেক প্রেসিডেন্ট উহুরু কেনিয়াটাকে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআরসি) ও ইথিওপিয়াতে শান্তিদূত হিসেবে নিযুক্ত করেছেন।

প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন কেনিয়াটা এই উভয়দেশেই শান্তি প্রচেষ্টার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। দেশ দুইটি বিদ্রোহীদের পুনরুত্থান ও চলমান যুদ্ধের মোকাবেলা করছে। যদিও শান্তিদূত হিসেবে কেনিয়াটার নতুন ভূমিকাটিকে স্বাগত জানানো হয়েছে, তবুও বিশ্লেষকরা বলছেন যে, ডিআরসি ও ইথিওপিয়ায় মধ্যস্থতা করা ছোটখাট কোন চ্যালেঞ্জ নয়।

রুটো বলেন কেনিয়াটা কাজটির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং কেনিয়ার পক্ষে কাজ করবেন তিনি।

নাইরোবি বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক, কেনেথ ওমবোঙ্গি বলেন, কোন সংঘাতের একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করার জন্য ধারাবাহিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ওমবোঙ্গি বলেন, “[কেনিয়াটা] এটিতে একটা পর্যায়ের ধারাবাহিকতা নিয়ে আসবেন, যা সূক্ষ বিষয়গুলোর সমাধানে গুরুত্বপূ্র্ণ, যেই বিষয়গুলো শান্তি, সমন্বয়সাধন, এবং সংঘাত পরবর্তী উন্নয়নের সাথে সম্পর্কিত… এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কি ঘটছিল এবং কতটুকু অগ্রগতি সাধিত হয়েছে সে বিষয়ে খুবই পরিষ্কার ধারনা নিয়ে তিনি কাজ করবেন।”

এপ্রিলে কেনিয়াটা ডিআরসি’র প্রেসিডেন্ট ফিলিক্স শিসেকেডি এবং দেশটির পূর্বাঞ্চলে সক্রিয় কয়েকটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সাথে শান্তি আলোচনার আয়োজন করেছিলেন। পূর্ব আফ্রিকার সম্প্রদায়ের নেতারা এরপর ঐ এলাকায় স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টায় ডিআরসি’র পূর্বাঞ্চলে আঞ্চলিক সৈন্য মোতায়েন করতে রাজি হন।

গত বছরের নভেম্বরে, শান্তি প্রচেষ্টায় কাজ করতে এবং ইথিওপিয়ার সরকার ও দেশটির উত্তরাঞ্চলে টিগ্রায় পিপল’স লিবারেশন ফ্রন্ট বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে একত্র করতে ইথিওপিয়া সফর করেছিলেন কেনিয়াটা।

যুক্তরাষ্ট্রের সরকার ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন কেনিয়াটার ‍নিয়োগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং বলেছে যে, ঐ দুই দেশে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় সমর্থন দিতে তারা প্রস্তুত রয়েছে।



XS
SM
MD
LG