অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণরূপে তুলে নেওয়ার যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে সাইপ্রাস


গ্রীসের রাজধানী এথেন্সের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত এলেফসিনা বিমানঘাঁটিতে একটি জেটবিমান থেকে নামছেন সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকোস আনাসতাসিয়াদেস, ২ সেপ্টেম্বর ২০২২। (ফাইল ফটো)

জাতিগোষ্ঠীগত ভাবে বিভাজিত দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাসের উপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণরূপে তুলে নেওয়াকে, ক্রমবর্ধমান নিবিড় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্নিশ্চিতকরণের এক মাইলফলক হিসেবে শনিবার স্বাগত জানায় সাইপ্রাস। এমন সম্পর্ক ভূমধ্যসাগরের অশান্ত পূর্বাঞ্চলে স্থিতিশীলতা জোরদারে সাহায্য করবে।

এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে সমর্থন দেয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট নিকোস আনাসতাসিয়াদেস যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির সভাপতি, ডেমক্র্যাট দলীয় নিউ জার্সির সিনেটার রবার্ট মেনেন্ডেজের প্রতি এক টুইটের মাধ্যমে তাঁর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

সাইপ্রাসের উত্তরের এক-তৃতীয়াংশ এলাকায় ৩৫,০০০ এরও বেশি সৈন্য মোতায়েন করে রেখেছে তুরস্ক। তারা এই সিদ্ধান্তের প্রতি নিন্দা জানায়। তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রক যুক্তরাষ্ট্রকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছে। তারা সতর্ক করে যে, এমন পদক্ষেপ সাইপ্রাস শান্তি চুক্তির প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করতে পারে, দ্বীপটিতে অস্ত্র প্রতিযোগিতা আরম্ভ করতে পারে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষতিসাধন করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র নেড প্রাইস এক বিবৃতিতে বলেন যে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন নির্ধারণ করেছেন যে “২০২৩ অর্থবছরের জন্য … প্রতিরক্ষা সরঞ্জামাদি রফতানি, পুনঃরফতানি ও স্থানান্তর” অনুমোদনের শর্তগুলো সাইপ্রাস পূরণ করে।

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর মূল্যায়ন করবে যে, সাইপ্রাস নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের শর্তগুলো মেনে চলছে কিনা। এই সব শর্তের মধ্যে রয়েছে মানি লন্ডারিং বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন করা এবং রুশ সামরিক জাহাজগুলোকে জ্বালানী নেওয়া ও সার্ভিসিং এর জন্য তাদের বন্দরগুলো ব্যবহার করতে না দেওয়া।

ইউক্রেনে আক্রমণের পর, মার্চ মাসের শুরুর দিকে রুশ যুদ্ধজাহাজগুলোকে সাইপ্রাসের বন্দর ব্যবহার করতে বাধা দেয় দেশটি।


XS
SM
MD
LG