অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে এলএনজি আমদানি অব্যাহত থাকবে:তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী


সমুদ্রে নোঙ্গর করা এলএনজি সরবরাহ করে, এমন একটি হাইড্রোজেন ইঞ্জিন চালিত তরল প্রাকৃতিক গ্যাস ট্যাঙ্কার। (ফাইল ছবি)

উপকূলীয় এলাকা থেকে গ্যাস অনুসন্ধানের তাৎক্ষণিক কোনো সম্ভাবনা না থাকায়, আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)-এর ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা অব্যাহত থাকবে। এ কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। রবিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানী ঢাকায়, বাংলাদেশ এনার্জি সোসাইটি (বিইএস) আয়োজিত এক ওয়েবিনারে তিনি একথা বলেন।

ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশ সরকার সারাদেশে আরও ভাসমান স্টোরেজ বা টার্মিনাল এবং রি-গ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে।”

এফএসআরইউ হলো এলএনজি টার্মিনাল, যা তরল আকারে গ্যাস আমদানি করতে ব্যবহৃত হয়। স্থানীয় সরবরাহ নেটওয়ার্কে ছেড়ে দেওয়ার আগে, ঐ তরল জ্বালানিকে সেখানে পুনরায় গ্যাসীকরণ করা হয়।

জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, “কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপে বিদ্যমান দুটি এফএসআরইউ ছাড়াও, ভূমি ভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য পটুয়াখালী ও ভোলায় আরও জায়গা নির্ধারণ করা হচ্ছে।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে আরও এলএনজি আমদানি করতে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষরের নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা।

বর্তমানে, বাংলাদেশে এলএনজি আমদানির জন্য কাতার এবং ওমানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি রয়েছে এবং এর আওতায় স্বল্পমেয়াদী ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক স্পট বাজার থেকে তরলীকৃত গ্যাস আমদানি করা হয়।

‘বর্তমান জ্বালানি সংকট: বাংলাদেশের জন্য এগিয়ে যাওয়ার পথ’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সেমিনার উপস্থাপনা করেন বিইএস সভাপতি ও সাবেক মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ। সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মোহাম্মদ তামিম ও বাংলাদেশ সোলার অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসআরইএ) সভাপতি দীপাল বড়ুয়া।

অধ্যাপক এম তামিম বলেন, “বর্তমান জ্বালানি সংকটের ওপর নির্ভর করে কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। কারণ এটি বেশিদিন নাও চলতে পারে। বরং, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।”

XS
SM
MD
LG