অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

উত্তর কোরিয়াকে শক্তি প্রদর্শন করতে দক্ষিণ কোরিয়া যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ জাহাজ


যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর দেয়া এই ছবিতে ইউএসএস রনাল্ড রেগান (সিভিএন ৭৬, সামনে) এবং ইউএসএস নিমিৎজ (সিভিএন ৬৮, পেছনে) ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপগুলো ২০২০ সালের ৬ জুলাই দক্ষিণ চীন সাগরে যাত্রা করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী জাহাজের স্ট্রাইক গ্রুপ এই সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়া যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর মতে, উত্তর কোরিয়া শীঘ্রই একটি পারমাণবিক পরীক্ষা পরিচালনা করবে- এমন উদ্বেগের প্রেক্ষিতে এটি শক্তির একটি উল্লেখযোগ্য প্রদর্শনী।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মধ্যে ২০১৭ সালে উত্তেজনার সর্বোচ্চ সীমার পর, প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী জাহাজ গোষ্ঠী দক্ষিণ কোরিয়ার নিকটে এই ধরনের মহড়া চালিয়েছে।

এই বছর উত্তর কোরিয়া রেকর্ড সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তাদের মতে, তারা সপ্তম পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর প্রস্তুতি নিয়েছে।

গত সপ্তাহে কিম তার পারমাণবিক অস্ত্র পরিত্যাগ না করার বা আলোচনায় দর কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। দেশটি “শত্রু শক্তি” দ্বারা আক্রমণ আক্রান্ত হলে অবিলম্বে পারমাণবিক প্রতিশোধ নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নতুন একটি আইন পাস করেছে।।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়া এই পদক্ষেপগুলোর নিন্দা জানিয়েছে এবং উত্তর কোরিয়ার যেকোনো পারমাণবিক হামলার পরিণামে “অপ্রতিরোধ্য এবং স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া” প্রদর্শন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্র নেই, তবে সুরক্ষার জন্য তারা যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত পরমাণু ছাতার ওপর নির্ভর করে। দক্ষিণ কোরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২৮ হাজার ৫শ সেনা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন উত্তর কোরিয়াকে বারবার দেশটির পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ২০১৯ সাল থেকে স্থগিত আলোচনা পুনরায় শুরু করার আহ্বান জানিয়েছে।

উত্তর কোরিয়া সেই আহ্বানগুলো উপেক্ষা করেছে। এর পরিবর্তে তারা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একটি শত্রুভাবাপন্ন নীতি পরিচালনার অভিযোগ করেছে।

XS
SM
MD
LG